ঢাকার কেরানীগঞ্জে ও লৌহজংয়ে কার্টনের ভেতর পলিথিনে মোড়ানো খণ্ডিত যুবকের পরিচয় মিলেছে। হতভাগা ওই যুবকের নাম সবুজ মোল্লা (২৭)।
তার পিতার নাম ইউসুফ মোল্লাহ। সে পরিবারের সঙ্গে সাভারের হেমায়েতপুর যাদুরচর গ্রামে বসবাস করত এবং গাজীপুরের একটি প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন। লাশের পরিচয় নিশ্চিত করেন সবুজের বাবা ইউসুফ মোল্লাহ।
নিহতের ছোট বোন সাথী আক্তার জানান, সবুজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৬টায় ঘর হতে বের হয়ে আর বাসায় ফিরেনি। যাবার সময় কোথায় যাচ্ছে কারো কাছে বলে যায়নি। পরে আমরা খবর পাই কেরানীগঞ্জে ও মুন্সিগঞ্জে এক ব্যক্তির খণ্ড খণ্ড লাশ পাওয়া গেছে। আমরা আমার ভাইয়ের খুনিদের বিচার চাই।
এদিকে ছেলে ফিরে আসবে আশায় অস্থির সময় পার করছেন মা শাহানাজ পারভীন। ছেলে বেঁচে নেই মানতে নারাজ বাবা ইউসুফ মোল্লাহ। প্রতিবেশী, বন্ধুবান্ধব সবাই হতবাক সবুজের এই পরিণতির জন্য। সবাই বলছেন সবুজ ভালো ছেলে, লেখাপড়া, নামাজ কলাম ছাড়া বেড় হতেন না ঘর হতে। সহপাঠীরা বলছেন পিকনিকে চলে গেলে হয়তো এই পরিচিত হতো না সবুজের।
এ ব্যাপারে সাভার মডেল থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করা হয়েছে। জড়িতদের গ্রেফতারে চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহরাব আল হোসাইন। সবুজের মরদেহের কিছু অংশ স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ) মিটফোর্ড হাসপাতালে) এবং বাকি অংশ মুন্সিগঞ্জে আছে বলে জানান তিনি। এছাড়া বিপিআই ক্রাইমসিন, ডিবি পুলিশসহ বিভিন্ন সংস্থা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছ।
কেকে/এএস