শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬,
১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম: ● বাংলাদেশকে ৯ গোল দিয়ে আসিয়ান কাপের ফাইনালে ইন্দোনেশিয়া      ● স্বৈরাচার-গুপ্ত দল আবার এক হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী      ● যাত্রা শুরু করল বিশেষায়িত ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’      ● ডেঙ্গুতে আরও চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৯৭৮      ● হামে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১২১৪      ● সংরক্ষিত আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা      ● অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারায় কিছু দল : প্রধানমন্ত্রী      
দেশজুড়ে
গোদাগাড়ীতে রাস্তার কার্পেটিং কাজে অনিয়মের অভিযোগ
গোদাগাড়ী (রাজশাহী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:২০ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার বাসুদেবপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে লস্করহাটী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ভেতর রাস্তা কার্পেটিং কাজে গুরুতর অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন এলাকাবাসী। কাজের বিভিন্ন ধাপে এলজিইডির নির্ধারিত মান ও পদ্ধতি অনুসরণ না করায় রাস্তাটির স্থায়িত্ব নিয়ে চরম উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

জানা যায়, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রথম দফায় রাস্তায় তরল পিচ ছিটিয়ে দেন। এরপর পিচ শুকানোর অজুহাতে তার ওপর বালি দেওয়া হয়। কিন্তু এলজিইডির নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্পেটিং কাজ সম্পন্ন না করে কয়েকদিন বিরতি দিয়ে পুনরায় এসে কার্পেট বিছানো শুরু করা হয়। এতে পিচ ও কার্পেটের মধ্যে প্রয়োজনীয় বন্ধন (বন্ডিং) তৈরি হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, রাস্তার নিচে নতুন করে কোনো খোয়া (স্টোন বেজ) ব্যবহার করা হয়নি। আগে থেকে থাকা পুরোনো ও দুর্বল খোয়াগুলো রেখেই কাজ চালানো হচ্ছে। কেবল কিছু নির্দিষ্ট স্থানে দায়সারা ভাবে খোয়া দিয়ে লেভেল দেখানো হয়েছে। ফলে পুরো রাস্তায় ভিত্তির মান সমান নয়, যা অল্প সময়ের মধ্যেই রাস্তা বসে যাওয়া, ফাটল সৃষ্টি এবং কার্পেট উঠে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়াবে বলে মনে করছেন তারা।

স্থানীয়দের মতে, কার্পেটিংয়ের সময় বিটুমেন (তেল) এর পরিমাণও প্রয়োজনের তুলনায় কম ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্ধারিত অনুপাতে তেল ব্যবহার না করায় কার্পেট যথাযথভাবে খোয়ার সঙ্গে আটকাচ্ছে না। এতে করে কয়েক মাস বা একটি মৌসুম পার না হতেই রাস্তাটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

বিশেষ উদ্বেগের বিষয় হলো—এই রাস্তাটি একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত। প্রতিদিন শতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় যানবাহন এই পথ ব্যবহার করে। এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিম্নমানের কাজ জনদুর্ভোগের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াতে পারে বলে মনে করছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল।

এলাকাবাসী দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে কাজের মান যাচাই, অনিয়মের সঙ্গে জড়িত ঠিকাদারের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রয়োজনে পুনরায় মানসম্মতভাবে রাস্তা নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে গোদাগাড়ী উপজেলা প্রকৌশলী মো. সাদরুল ইসলাম বলেন, ‘রাস্তায় খোয়ার পরিমাণ কিছুটা কম দেওয়া হয়েছে—এটি আমি স্বীকার করছি। তবে আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যে বাজেট বরাদ্দ দিয়েছে, সেই বাজেটের মধ্যেই কাজ করা হচ্ছে। বর্তমানে কাজ চলমান রয়েছে।’

তিনি আরও দাবি করেন, নিয়ম বহির্ভূতভাবে ইটভাটার ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে রাস্তার ক্ষতি হচ্ছে এবং এ ক্ষেত্রে স্থানীয়দেরও দায় রয়েছে। তবে 
তিনি আশ্বস্ত করেন যে, ‘রাস্তার কাজ শতভাগ ভালোভাবে সম্পন্ন করা হচ্ছে এবং কাজের মান বজায় রাখা হচ্ছে।’
 
কিন্তু সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের নাম জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী কৌশলে বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং ঠিকাদারের পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছা জানান।

কেকে/ এমএস


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close