বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬,
৬ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম: ● হাম উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় দুই শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১০৩২      ● আগামী ১০ বছরেরও হাসিনার ফেরার সম্ভাবনা নেই: স্পিকার      ● প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে ফেসবুকে ‘স্নাইপার’ মন্তব্য, যুবক আটক      ● শীর্ষ সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্যে দিশেহারা ব্যবসায়ীরা      ● সৌহার্দ্য ও দেশপ্রেম জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ক্রীড়া : প্রধানমন্ত্রী      ● সৌদি আরবের তিন রুটে বিমানের ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত      ● ঢাকা-সৌদি রুটের ১৩৪ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে যাত্রীরা      
দেশজুড়ে
চান্দিনায় শীতের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতকালীন পিঠার চাহিদা
চান্দিনা (কুমিল্লা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩৩ পিএম

হাড় কাপানো শীতে জুবুথুবু অবস্থা। ধীরে ধীরে বেড়েই চলেছে শীতের দাপট। শীতের সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীতকালীন পিঠার চাহিদা। শীতকালের সাথে পিঠাপুলির আয়োজন বাঙালি সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।  গ্রাম কিংবা শহর কেউই বাদ যায়না এই আনন্দ উপভোগ থেকে। পিঠার আয়োজন ছড়িয়ে যায় গ্রাম-গঞ্জ-শহরে। গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে উৎসব মুখর পরিবেশে চলে পিঠাপুলির আয়োজন। শীতের আভাস পাওয়া মাত্রই ব্যস্ততা বেড়ে যায় ভ্রাম্যমাণ পিঠা ব্যবসায়ীদের। বিভিন্ন বাজার, দোকানপাটের আশেপাশে দেখা মিলে ভ্রাম্যমাণ পিঠা ব্যবসায়ীদের। বিভিন্ন বয়সের পিঠা প্রেমীরা ভীর জমান এসব পিঠা দোকান গুলোতে।  

সম্প্রতি কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মোকামবাড়ি, এতবারপুর, চিলোড়া, আলীকামোড়া, বাড়েরা, মহিচাইল, মাইজখার, বদরপুর বাজার সহ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকান গুলোতে ব্যস্ত সময় পার করছেন পিঠা বিক্রেতারা। চাহিদার শীর্ষে রয়েছে চিতই পিঠা এবং ভাপা পিঠা। পিঠা কেনার জন্য রীতিমতো সিরিয়ালে দাঁড়াতে হচ্ছে ক্রেতাদের। কেউ দাঁড়িয়ে পিঠা খাচ্ছেন আবার কেউ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন । নারিকেল ও মিঠাই দিয়ে তৈরি হচ্ছে ভাপা পিঠা। প্রতিটি ভাপা পিঠা ১০ টাকা ও চিতই পিঠা ১০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে দোকান গুলোতে। ক্রেতার চাহিদা অনুযায়ী চিতই পিঠার সাথে দেয়া হচ্ছে মুখরোচক শর্ষে ভর্তা ও শুটকির ভর্তা ও ধনে পাতার ভর্তা।  কিছু কিছু দোকানে পিঠার সাথে সাথে ডিম সিদ্ধ করে বিক্রি করা হচ্ছে। 

আলীকামোড়া বাজারের পিঠা বিক্রেতা জাকির হোসেন জানান, গত ৭ বছর ধরে এখানে পিঠা বিক্রি করি। আগে জিনিস পত্রের দাম কম থাকায় ৫ টাকা করে বিক্রি করতাম এখন সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় ১০ টাকা করে বিক্রি করি। বাড়েরা বাজারের পিঠা বিক্রেতা শামিম বলেন- বিকেল ৫ টা থেকে থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত পিঠা বিক্রি চলে। ভোজনরসিকরা পিঠা খুবই পছন্দ করেন। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এখানে পিঠা খেতে আসেন। 

পিঠা খেতে আসা আবু বকর মজুমদার বলেন, শীতকাল আর পিঠা খাওয়ার আনন্দ একে অপরের পরিপূরক। শীতের সন্ধ্যায় গরম গরম পিঠা খেতে আলাদা আনন্দ উপভোগ করি।
 
মাইজখার গ্রামের আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, শীতকাল মানেই তো পিঠাপুলির আয়োজন। বন্ধুবান্ধব নিয়ে এই শীতকালীন পিঠা খাওয়ার আনন্দটা অনেক উপভোগের একটা বিষয়।

কেকে/ এমএস


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close