গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে বাড়িতে অবৈধভাবে সার মজুদ রাখার অভিযোগে মো. সুজন মিয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তার বাড়ি থেকে ৪৭ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের উজান বোচাগাড়ী গ্রামে সুজন মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে এসব সার জব্দ করা হয়। সুজন মিয়া ওই গ্রামের মো. শামছুল হকের ছেলে।
অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আহরাব আল আকাশ। এ সময় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এস এম আসিফ হাসানসহ পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সুজন মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় সেখানে মজুদ করে রাখা ৭ বস্তা ইউরিয়া, ২০ বস্তা ডিএপি ও ২০ বস্তা টিএসপি সার পাওয়া যায়। পরে ৪৭ বস্তা সারই জব্দ করা হয়।
অবৈধভাবে সার মজুদের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত সুজন মিয়াকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা এস এম আসিফ হাসান বলেন, “গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাড়িতে মজুদ করে রাখা ৪৭ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে। কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করা সার নিয়মবহির্ভূতভাবে মজুদ করে রাখার সুযোগ নেই। জব্দ করা সার সরকারি মূল্যে কৃষকদের মধ্যে বিক্রি করা হবে এবং বিক্রির অর্থ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা হবে।”
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আহরাব আল আকাশ বলেন, “নিয়মবহির্ভূতভাবে সার মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরির অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় ৪৭ বস্তা সার জব্দ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “কৃষকদের স্বার্থ বিবেচনায় সার মজুদ করে কৃত্রিম সংকট তৈরি কিংবা নিয়মবহির্ভূতভাবে সার বিক্রির বিরুদ্ধে উপজেলা প্রশাসনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
কেকে/সাশ