মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় আদালতের নির্দেশে ৬৮ বছর পর রাধাবল্লভ মন্দিরের সাড়ে ৮০ শতাংশ জায়গা দখলমুক্ত করে প্রকৃত মালিকদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সিংগাইর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের আঙ্গারিয়া গ্রামে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী উচ্ছেদ ও দখলমুক্ত কার্যক্রম চালানো হয়। পরে মন্দিরসহ জায়গা প্রকৃত মালিকদের বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৯৫৮ সাল থেকে এসব জায়গা বেদখল ছিল। জমি উদ্ধারে ১৯৮৭ সালে আঙ্গারিয়া গ্রামের হরিপদ চক্রবর্তী আদালতে মামলা করেন। মামলায় রজ্জব আলী ও তার স্ত্রী আমেনা বেগমকে বিবাদী করা হয়। পরে, একই মালিককে উপজেলার আরও সাতটি স্থানের প্রায় ৩৭২ শতাংশ জায়গা দখলমুক্ত করে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।
দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে ১৯৮৭ সালের বণ্টননামা মামলার রায়ের ভিত্তিতে আদালতের নির্দেশে মন্দিরসহ জমি প্রকৃত মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। দীর্ঘ ৬৮ বছর পর জমি ফিরে পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
আদালতের নাজির কাদের মিয়া বলেন, “১৯৮৭ সালের বণ্টননামা মামলার রায়ের ভিত্তিতে আদালতের নির্দেশে প্রকৃত মালিকদের জায়গা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।”
তিনি বলেন, “ভবিষ্যতে বিবাদীরা ওই জমিতে দখলের চেষ্টা করলে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
কেকে/সাশ