নিহত সাতজনের মধ্যে চারজনের পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ। তারা হলেন—জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর গ্রামের রাশিদা বেগম (৭০), তার ছেলে মোফাজ্জল হোসেন (৫০), মোফাজ্জলের মেয়ে মর্জিনা আক্তার (২৫) এবং মর্জিনার ছেলে মিনান (৫)। তারা জামালপুর থেকে গাজীপুরের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। মোফাজ্জল হোসেন গাজীপুরে রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম সাতজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতদের মধ্যে এখনও তিনজনের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তাদের সঙ্গে থাকা মুঠোফোনসহ বিভিন্ন সূত্রের তথ্য যাচাই করে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার পর নিহতদের মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর স্বজনদের কাছে মরদেহ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
ওসি মোহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনার পর বাসটি ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরে পুলিশ বাসটি আটক করে রেকার দিয়ে জব্দ করে রেখেছে। তবে বাসটির চালক ও সহকারীকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। তারা বাস রেখে চলে গেছেন। তাদের আটকের জন্য পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, বাসের সঙ্গে সংঘর্ষে সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এতে থাকা সাত যাত্রীর সবাই নিহত হন।