শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬,
১৭ আশ্বিন ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম: ● ময়মনসিংহে বাসচাপায় অটোরিকশার ৭ যাত্রী নিহত      ● সেপ্টেম্বরে ৩ শতাংশ বাড়ল রেমিট্যান্স      ● সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ মদের গুদাম সিলগালা      ● বাংলাদেশকে ৯ গোল দিয়ে আসিয়ান কাপের ফাইনালে ইন্দোনেশিয়া      ● স্বৈরাচার-গুপ্ত দল আবার এক হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী      ● যাত্রা শুরু করল বিশেষায়িত ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’      ● ডেঙ্গুতে আরও চারজনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৯৭৮      
দেশজুড়ে
কালাইয়ে আলোর ফাঁদে শনাক্ত হচ্ছে ধানখেতের ক্ষতিকর ও উপকারী পোকা
কালাই (জয়পুরহাট) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০৯ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় আমন ধানের ক্ষেতে ক্ষতিকর ও উপকারী পোকামাকড় শনাক্ত করতে ‘আলোক ফাঁদ’ ব্যবহার করছে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। মাঠপর্যায়ে আলোক ফাঁদ স্থাপনের মাধ্যমে পোকার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি কৃষকদের উপকারী ও ক্ষতিকর পোকা সম্পর্কে ধারণা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার নুনুজ বাজারে বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা কৃষকদের নিয়ে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়। এ সময় এর কার্যকারিতা ও ব্যবহারিক দিক তুলে ধরার পাশাপাশি ধানখেতে থাকা বিভিন্ন ধরনের উপকারী ও ক্ষতিকর পোকামাকড় সম্পর্কে কৃষকদের ধারণা দেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদয়পুর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম, রুবেল মিয়া ও শিমুল ইসলাম।

কৃষি কর্মকর্তারা জানান, ধানখেতে থাকা সব পোকামাকড় ক্ষতিকর নয়। কিছু পোকা ফসলের ক্ষতি করলেও অনেক পোকা ক্ষতিকর পোকামাকড় দমনে প্রাকৃতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই পোকা দেখা দিলেই নির্বিচারে কীটনাশক প্রয়োগ না করে প্রথমে পোকার ধরন ও উপস্থিতির মাত্রা শনাক্ত করা জরুরি।

তারা আরও জানান, আলোক ফাঁদের মাধ্যমে ধানখেতে পোকার উপস্থিতি সম্পর্কে আগাম ধারণা পাওয়া যায়। এতে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়। ফলে একদিকে ফসলকে ক্ষতিকর পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করা যায়, অন্যদিকে অপ্রয়োজনীয় কীটনাশকের ব্যবহার কমিয়ে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় ও পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব কমানো সম্ভব।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ধানখেতের পাশে একটি বাতি জ্বালিয়ে তার নিচে পানি বা কেরোসিন মেশানো পানি রাখা পাত্র বসিয়ে সহজেই আলোক ফাঁদ তৈরি করা যায়। রাতে আলোর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন ধরনের পোকা ওই পাত্রে পড়ে। পরে সেগুলো সংগ্রহ করে শনাক্ত করা হয়।

কৃষকদের নিয়মিত ধানখেত পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি অচেনা বা অস্বাভাবিক পোকার উপস্থিতি দেখা দিলে কৃষি বিভাগের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হারুনুর রশিদ জানান, কালাই উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিভিন্ন ব্লকে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ধানখেতে ক্ষতিকর ও উপকারী পোকার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পর্যবেক্ষণের তথ্যের ভিত্তিতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

কেকে/সাশ 



আরও সংবাদ   বিষয়:  কালাই   ধানখেতের ক্ষতিকর ও উপকারী পোকা শনাক্ত  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close