শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬,
১৮ আশ্বিন ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম: ● বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬-এর উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      ● শ্রীলঙ্কার কাছে হেরে পদকশূন্য বাংলাদেশ      ● আখতারুজ্জামানকে বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর      ● মারা গেছেন বিডিনিউজের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী      ● দেশে ডেঙ্গুতে ৯ মাসে প্রাণ গেছে ২৫০ জনের      ● হামে ২৪ ঘণ্টায় চারজনের মৃত্যু      ● ময়মনসিংহে বাসচাপায় অটোরিকশার ৭ যাত্রী নিহত      
খোলা মত ও সম্পাদকীয়
সৌদি-হুথি সংঘাতের অন্তরালে: যুদ্ধ, বাণিজ্য ও ভূরাজনীতির হিসাব
সুলতান মাহমুদ সরকার
প্রকাশ: শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬, ১১:০৯ এএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

লোহিত সাগরের পাড়ে এক শরণার্থী শিবিরে সারি সারি তাঁবু। পানির জারিক্যান কাঁধে কয়েকজন নারী ধীর পায়ে হেঁটে যাচ্ছেন, আর দূর থেকে ভেসে আসছে কামানের গর্জন। গত কয়েক সপ্তাহে এই দৃশ্য বারবার ফিরে এসেছে সংবাদমাধ্যমে।

২০২২ সালের জাতিসংঘ-মধ্যস্থিত যুদ্ধবিরতির পর যে লড়াই অনেকটা থিতিয়ে এসেছিল, এই গ্রীষ্মে তা আবার জেগে উঠেছে, আগের চেয়ে অনেক বিপজ্জনক রূপে। কিন্তু এই আগুনের উৎস ইয়েমেনের মাটিতে নয়, অনেক দূরের দুই রাজধানীতে। ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের যুদ্ধনীতিই পুরো অঞ্চলকে ধাপে ধাপে এই বিস্ফোরণের দিকে ঠেলে দিয়েছে। 

সৌদি-হুথি সংঘাত তাই বিচ্ছিন্ন কোনো লড়াই নয়; এটি এক আধিপত্যবাদী প্রকল্পের সর্বশেষ অধ্যায়, যেখানে যুদ্ধ, বাণিজ্যপথ আর ভূরাজনীতির হিসাব একে অপরের সঙ্গে জট পাকিয়ে আছে।

ফেব্রুয়ারির শেষে ইসরায়েল ও আমেরিকা যৌথভাবে ইরানের ভূখণ্ডে হামলা চালায়। কোনো আন্তর্জাতিক বৈধতা ছাড়া একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের ওপর এই হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা নিহত হন। ইরানের সমর্থকদের প্রশ্ন, কোন আইনে? যে বিশ্বব্যবস্থা নিজেকে “নিয়মভিত্তিক” বলে দাবি করে, তার প্রধান রক্ষকরাই সেই নিয়ম সবচেয়ে প্রকাশ্যে ভেঙেছে। তাদের মতে, এই দ্বিমুখী আচরণই পশ্চিমা নৈতিক অবস্থানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা।

নিজেদের মিত্রের বেলায় আইন এক রকম, প্রতিপক্ষের বেলায় আরেক রকম। একই কাজ অন্য কোনো দেশ করলে যে ভাষায় নিন্দা হতো, এখানে সেই ভাষা হঠাৎ নরম হয়ে যায়, আর জাতিসংঘের প্রস্তাব কাগজেই থেকে যায়। এই বৈষম্য দেখতে দেখতে বিশ্বের দক্ষিণের বহু মানুষের আস্থা তলানিতে ঠেকেছে। জবাবে ইরান পাল্টা হামলা চালায় এবং হরমুজ প্রণালিতে চাপ তৈরি করে, যাকে তেহরান আত্মরক্ষার ন্যূনতম উপায় হিসেবে দেখে। মাসের পর মাস যুদ্ধবিরতি ঘোষণা হয়েছে, আবার ভেঙেছে।

জুনের মাঝামাঝি পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন-তেহরান একটি স্মারক স্বাক্ষর করলেও জুলাইয়ের শুরুতেই সমঝোতা ভেঙে যায়। বারবার আলোচনার টেবিল থেকে সরে গেছে ওয়াশিংটনই, কারণ তাদের কাছে সমঝোতা মানে আধিপত্য টিকিয়ে রাখার কৌশল, সমান অধিকারের সমাধান নয়।

এই পটভূমিতেই হুথিরা মার্চের শেষে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে আবার ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া শুরু করে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধবিরতির পর তারা হামলা স্থগিত রেখেছিল, লোহিত সাগরেও শান্তি ফিরেছিল। সেই ভঙ্গুর শান্তি ভেঙেছে ফেব্রুয়ারির হামলাই। হুথিরা বলছে, গাজা ও ইরানে আগ্রাসন চলবে আর ইয়েমেন চুপ থাকবে, এটাই বরং অস্বাভাবিক।

এখানে হুথিদের অবস্থান ফিলিস্তিনের সঙ্গে সংহতির ধারাবাহিকতা। যারা তাদের “প্রক্সি” বলে ডাকে, তাদের উদ্দেশে এই পক্ষের প্রশ্ন: বছরের পর বছর অবরোধ আর বোমার নিচে বেড়ে ওঠা একটি জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক সিদ্ধান্তকে কেন সবসময় বাইরের কোনো শক্তির নির্দেশ বলে ধরে নেওয়া হয়?

ইয়েমেন বহু বছর ধরে বিশ্বের অন্যতম দীর্ঘ ও নীরব মানবিক বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে গেছে, অথচ তার কণ্ঠ কখনো আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে জায়গা পায়নি। মনে করা হয়, এই অবহেলাই একটি জনগোষ্ঠীকে শেষ পর্যন্ত অস্ত্র হাতে নিজের কথা শোনাতে বাধ্য করেছে।

জুলাইয়ের মাঝামাঝি সানা বিমানবন্দরে ইরান থেকে আসা একটি বিমান ঠেকাতে ইয়েমেন সরকার হামলা চালালে হুথিরা তার জবাবে সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র-ড্রোন হামলা ও লোহিত সাগরে অবরোধ শুরু করে। তিন বছরের পুরনো যুদ্ধবিরতি চূড়ান্তভাবে ভেঙে যায়। ব্যাপারটা এই যে, বহিরাগত শক্তির প্ররোচনা ও সমর্থনে ইয়েমেনের ভেতরের বিরোধ নতুন করে উসকে দেওয়া হয়েছে।

এই সংঘাতের কেন্দ্রে কেবল ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নেই। আছে গোটা অঞ্চলে স্বাধীন কণ্ঠগুলোকে স্থায়ীভাবে দমন করার ব্যাপক লক্ষ্য। গাজায় হামাসের সামরিক কাঠামো বিধ্বস্ত, লেবাননে হিজবুল্লাহর নেতৃত্ব বিপর্যস্ত, সিরিয়ায় সরকারের পতন, আর এবার সরাসরি যুদ্ধে ইরানের সর্বোচ্চ নেতৃত্বও আক্রান্ত। একের পর এক প্রতিরোধ-স্তম্ভ ভাঙার এই ধারাবাহিকতা কাকতালীয় নয়।

ইরান ও তার মিত্রদের কাছে এটা অস্তিত্বের লড়াই। এমন অবস্থায় হুথিদের সক্রিয় থাকা তেহরানের জন্য যেমন কৌশলগত বাস্তবতা, তেমনি অবরুদ্ধ একটি জনগোষ্ঠীর আত্মমর্যাদারও প্রশ্ন।

গত আড়াই মাসে হুথিরা লোহিত সাগরের পশ্চিম উপকূল ধরে অগ্রসর হয়ে কৌশলগত বন্দর মোখাসহ বিশাল এলাকা দখল করেছে, লক্ষ্য বাব এল মান্দেব প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ। সেপ্টেম্বরে সৌদি জ্বালানি স্থাপনায় হামলায় আরামকোর একাধিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, রিয়াদ ও খামিস মুশাইতের দিকেও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।

জুলাই থেকে দেড় লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। মারিবে ভারী লড়াই চলছে, আর হুথিরা সানাসহ দেশের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণ করছে। এই ঘটনাগুলোকে আলাদা করে দেখলে মনে হতে পারে, এক পক্ষ আরেক পক্ষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে। কিন্তু কারণ খুঁজতে গেলে ফিরে যেতে হয় সেই মূল প্ররোচনায়, যে আগ্রাসন গোটা অঞ্চলে ডমিনো প্রভাব তৈরি করেছে। একটি পাথর নদীতে পড়লে ঢেউ কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা পাথর যে ছুড়েছে সে ভাবে না, ভাবতে হয় তীরের মানুষকে।

অর্থনৈতিক মাত্রাও এই আধিপত্যের গল্পেরই অংশ। হরমুজে চাপের কারণে সৌদি আরব তেল রপ্তানির বড় অংশ লোহিত সাগরের পথে সরিয়েছে। মার্চ থেকে জুলাইয়ের মাঝামাঝি বাব এল মান্দেব দিয়ে সৌদি অশোধিত তেল রপ্তানি আট গুণ বেড়েছে। যে পথ ছিল বিকল্প, তা এখন প্রধান জীবনরেখা।

জ্বালানির দাম, জাহাজভাড়া ও বিমার প্রিমিয়াম বেড়েছে, যার আঁচ বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর অর্থনীতিতেও পৌঁছেছে। ঢাকার বাজারে একটু বেশি দামে কেনা প্রতিটি পণ্যের পেছনে হয়তো সুদূর কোনো প্রণালির অস্থিরতা লুকিয়ে আছে। বাংলাদেশের কৃষক, শ্রমিক আর নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবার, যাদের এই যুদ্ধে কোনো ভূমিকা নেই, তারাই মাসের শেষে বাড়তি খরচের হিসাব মেলাতে হিমশিম খায়। বলা হচ্ছে, এই সংকটের মূল্য দিচ্ছে বিশ্বের সাধারণ ভোক্তারা, আর যুদ্ধের সূচনাকারীরা দূরে বসে নিরাপদ।

সৌদি আরবের চারপাশে তৈরি হয়েছে নতুন নিরাপত্তা-বলয়। ফ্রান্স ইয়ানবু পাহারায় সেনা পাঠাচ্ছে, রিয়াদ পাকিস্তান ও তুরস্কের সঙ্গে সামরিক আলোচনায় বসেছে, উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ হুথি হামলার নিন্দা জানিয়েছে।

তেহরান বলেছে, আমেরিকা শর্ত মানলে তারা হরমুজ খুলে দেবে। এখানে দায়টা তো ওয়াশিংটনেরই, যে দেশ আগে হামলা চালিয়ে, নেতা হত্যা করে, আলোচনা ভেঙে সংকট বাড়িয়েছে, সমাধানের চাবিও তার হাতেই। এই ফাঁকে সবচেয়ে বেশি লাভবান হচ্ছে সেই আমেরিকাসহ অস্ত্র-ব্যবসায়ী ও শক্তিধর রাষ্ট্রগুলো, যারা অস্থিরতা বিক্রি করে, ঘাঁটি গড়ে, আর নিরাপত্তা-ছাতার নামে অঞ্চলের ওপর নির্ভরশীলতা চাপিয়ে দেয়। আগুন লাগানো আর পানি বিক্রি করা, এই দুই কাজ একই হাতে হলে সে হাতকে কেউ দমকলকর্মী বলে না।

এই আধিপত্যবাদী কাঠামোর সবচেয়ে বড় শিকার সাধারণ মানুষ: ইয়েমেনের বাস্তুচ্যুত পরিবার, সৌদি সীমান্ত শহরের বাসিন্দা, আর বিশ্বজুড়ে জ্বালানির বাড়তি দামের বোঝা কাঁধে নেওয়া কোটি কোটি ভোক্তা। রাষ্ট্রীয় কৌশলের হিসাব যতই জটিল হোক, তার প্রকৃত মূল্য দেয় সবচেয়ে দুর্বলরাই, যাদের কণ্ঠস্বর কোনো আলোচনার টেবিলে পৌঁছায় না। শরণার্থী শিবিরের শিশুটি জানে না হরমুজ কোথায়, জানে শুধু আজ রাতে খাবার জুটবে কি না।

সৌদি আরবের জন্যও এটি গভীর সংকট। “ভিশন ২০৩০” বিদেশি বিনিয়োগ ও স্থিতিশীলতার ওপর নির্ভরশীল, আর রাজধানীর আকাশে সাইরেন বাজলে সেই আস্থা টেকে না। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই অস্থিরতার দায় কার? যে শক্তিগুলো বছরের পর বছর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়ে, একপক্ষকে অস্ত্র জুগিয়ে ও অন্যপক্ষকে চাপে রেখে এই বারুদের স্তূপ তৈরি করেছে, ইতিহাসের কাঠগড়ায় তাদেরই দাঁড়াতে হবে।

রিয়াদ যতই বিদেশি নিরাপত্তা-অংশীদারত্বে ঝুঁকছে, ততই দীর্ঘমেয়াদে স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা কমছে। হরমুজ ও বাব এল মান্দেব একসঙ্গে অস্থির থাকা মানে বৈশ্বিক বাণিজ্যের ওপর এক অদৃশ্য লাগাম, যা নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে বহিঃশক্তির প্রভাব আরও পাকাপোক্ত হয়। এই অর্থে সংকটটা যত না সৌদি বনাম হুথির, তার চেয়ে অনেক বেশি এই অঞ্চলের স্বাধীনতা বনাম বাইরের নিয়ন্ত্রণের।

তাহলে উত্তরণের পথ কী? প্রথমে দরকার কার্যকর যুদ্ধবিরতি ও মানবিক করিডর, তারপর জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে হুথি, সরকার ও নাগরিক সমাজকে নিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক আলোচনা। বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া সমাধান টেকে না। 

বেইজিংয়ের মধ্যস্থতায় সৌদি-ইরান সম্পর্ক পুনঃস্থাপন দেখিয়েছে, ওয়াশিংটনের ছায়ার বাইরেও আঞ্চলিক সমঝোতা সম্ভব। সেই পথ ধরেই হরমুজ ও বাব এল মান্দেবের নিরাপত্তা উপকূলীয় দেশগুলোর যৌথ কাঠামোয় আনা দরকার, বহিরাগত নৌবহরের হাতে ছেড়ে না দিয়ে।

ইসলামি সহযোগিতা সংস্থাকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতির বদলে প্রকৃত মধ্যস্থতাকারী শক্তি হতে হবে, যেখানে পাকিস্তান, তুরস্ক, মিসর, ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশ সেতুবন্ধনের ভূমিকা নিতে পারে। বিশ্বশক্তিগুলোরও উচিত অস্ত্র বিক্রি ও সামরিক উপস্থিতির বদলে সংলাপ ও পুনর্গঠনে বিনিয়োগ করা, কারণ ধ্বংস হওয়া বন্দর, স্কুল আর হাসপাতাল গড়ার খরচ এক বছরের অস্ত্রক্রয় বাজেটের চেয়ে অনেক কম, অথচ তার প্রভাব বহুগুণ দীর্ঘস্থায়ী।

লোহিত সাগরের তীরে জারিক্যান কাঁধে হাঁটতে থাকা সেই নারীর কাছে হরমুজ বা বাব এল মান্দেবের ভূরাজনীতি নিছক তত্ত্ব। তার কাছে যুদ্ধ মানে হারানো ঘর আর সন্তানের জন্য এক টুকরো নিরাপদ আকাশের অভাব। ইতিহাস মনে রাখবে, যখন একটি অঞ্চলের মানুষ নিজেদের মধ্যে রক্ত ঝরাচ্ছিল, তখনই দূরের রাজধানীতে কেউ কেউ মানচিত্র আর বাণিজ্যপথের নতুন হিসাব কষছিল।

আজ প্রশ্ন একটাই: এই অঞ্চল কি আরও কিছুকাল অন্যের আঁকা রণাঙ্গনে লড়েই যাবে, নাকি আধিপত্যের এই ছক ভেঙে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজেরা লেখার সাহস দেখাবে? শান্তি কোনো উপহার নয়, এটি এক সচেতন সিদ্ধান্ত, আর সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই নিতে হবে।


লেখক: কলামিস্ট


কেকে/সাশ 






আরও সংবাদ   বিষয়:  সৌদি-হুথি সংঘাত  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলা মত ও সম্পাদকীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close