টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলায় ইয়াবাকাণ্ডের ঘটনায় অনৈতিক ও সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে সেলিম হোসেন নামের যুবদল নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি হেমনগর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড (শিমলাপাড়া) যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান জসিম ও সদস্যসচিব বদিউজ্জামান রানা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে সেলিম হোসেনকে যুবদলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ দলীয় সব পদ থেকে বহিষ্কারের কথা বলা হয়েছে। একই সঙ্গে দলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, শনিবার সকালে উপজেলার হেমনগর ইউনিয়নের শিমলাপাড়া গ্রামে ২০ পিস ইয়াবাসহ শরিফ (২১) নামে এক যুবককে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। শরিফ হেমনগর ইউনিয়নের উদ্যমপুর গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়দের দাবি, ইয়াবা কেনার জন্য শরিফ শিমলাপাড়া গ্রামের যুবদল নেতা সেলিম হোসেনের বাড়িতে যান। এ সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে পুলিশের কাছে দেন।
আটকের পর শরিফ দাবি করেন, তিনি সেলিম হোসেনের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকায় ২০ পিস ইয়াবা কিনেছেন। এর আগেও তিনি ওই ব্যক্তির কাছ থেকে তিনবার ইয়াবা কিনেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সেলিম হোসেন। ফেসবুকে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘ওরা টাকা দিয়ে ইয়াবা কিনে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। আমি ভালো মানুষ, ওরা আমার কিছুই করতে পারবে না।’
পুলিশ জানায়, আটক শরিফের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
কেকে/এআই