আসামি গ্রেপ্তার কিংবা জরুরি অভিযানে যেতে হবে। কিন্তু থানার গাড়ি অন্য কাজে ব্যস্ত। এমন পরিস্থিতিতে সিএনজি অটোরিকশা ভাড়া করে অভিযান পরিচালনা করতে হয়েছে ঈশ্বরগঞ্জ থানা-পুলিশকে। থানায় দুইটি গাড়ি থাকলেও চার লাখের বেশি মানুষের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালনে তা দিয়ে সবসময় প্রয়োজন মেটানো সম্ভব হতো না। এবার সেই সংকট কাটাতে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় যুক্ত হলো একটি পুলিশ কাভার্ড ভ্যান। ময়মনসিংহ-৮ (ঈশ্বরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু গাড়িটি উপহার দিয়েছেন।
শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গৌরীপুর সার্কেল) দেবাশীষ কর্মকার ও ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাজ্জাদ রোমনের হাতে গাড়ির চাবি তুলে দেন মাজেদ বাবু।
থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঈশ্বরগঞ্জ থানায় ওসির ব্যবহারের জন্য একটি গাড়ি এবং কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের জন্য আরেকটি গাড়ি রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত টহল, আসামি গ্রেপ্তার, মাদকবিরোধী অভিযানসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষার নানা কাজে এসব গাড়ি ব্যবহার করা হয়। একই সময়ে একাধিক স্থানে অভিযান বা জরুরি দায়িত্ব পড়লে দেখা দিত গাড়ির সংকট। তখন প্রয়োজনে সিএনজি অটোরিকশা ভাড়া করে পুলিশ সদস্যদের ঘটনাস্থলে যেতে হয়েছে।
প্রায় ২৮৬ বর্গকিলোমিটারের এত বড় এলাকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সীমিত যানবাহন নিয়ে কাজ করতে গিয়ে পুলিশকে যে বাড়তি চাপের মুখে পড়তে হয়েছে, নতুন কভার ভ্যানটি সেই চাপ কমাতে সহায়ক হবে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন।
মো. সাজ্জাদ রোমন বলেন, ‘‘নতুন গাড়িটি পাওয়ায় একাধিক জায়গায় পুলিশি কার্যক্রম পরিচালনা করা সহজ হবে। এতে আমরা পুলিশিং কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে পারব।’
লুৎফুল্লাহেল মাজেদ বাবু বলেন, “আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ। ঈশ্বরগঞ্জ থানার যানবাহনের প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে কভার ভ্যানটি দেওয়া হয়েছে। জনগণের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে গাড়িটি কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছি।”
কেকে/এমএ