রোববার, ৪ অক্টোবর ২০২৬,
১৯ আশ্বিন ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

রোববার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম: ● সেপ্টেম্বরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪২৩, মোটরসাইকেলেই ১৩৯      ● ভবিষ্যতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত হবে না: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী      ● মদিনায় হুতিদের হামলায় বাংলাদেশের তীব্র নিন্দা      ● সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন নির্ধারণ শুরু কাল      ● দেশের অর্থনীতি একাধিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে : অর্থমন্ত্রী      ● সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের বারসহ রাজধানীর চার বারে অভিযান      ● বঙ্গোপসাগরকে নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে রাখতে চায় বাংলা‌দেশ : মুনীরুজ্জামান      
খোলা মত ও সম্পাদকীয়
হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য বীমা: কভারেজ সুবিধা ও বীমাবহির্ভূত ব্যয় পরিশোধের দায়
মো. আবুবকর সিদ্দীক
প্রকাশ: রোববার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ১:২০ পিএম আপডেট: ০৪.১০.২০২৬ ২:১৩ পিএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

হজ ফরজ ইবাদত। এটি কেবল সেই সব মুসলমান নর-নারীর ওপর ফরজ, যাদের আর্থিক স্বচ্ছলতার পাশাপাশি শারীরিক সক্ষমতা রয়েছে। শুধু আর্থিক সক্ষমতা থাকলেই হবে না, শারীরিক সামর্থ্যও থাকতে হবে—এই বিষয়টি অনুধাবন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। হজের সময় সারা বিশ্ব থেকে কয়েক লাখ মুসলমান মক্কা-মদিনায় সমবেত হয়ে থাকেন। হজের মূল আনুষ্ঠানিকতার দিনগুলোতে এই বিশালসংখ্যক হজযাত্রীর চলাচল, হজের আনুষ্ঠানিকতা প্রতিপালন, সৌদি আরবের অত্যধিক তাপমাত্রা, খাবার-দাবার প্রভৃতি কারণে শারীরিকভাবে সুস্থ-সবল থাকাটা জরুরি। শারীরিক সক্ষমতা না থাকলে হজ পালনের অভিজ্ঞতা বিষাদময় হয়ে উঠতে পারে।

সৌদি সরকার প্রতিবছরই হজ ব্যবস্থাপনায় নতুন কৌশল অবলম্বন করে আসছে। বিশেষ করে অনুমোদনবিহীন হজ বন্ধ করা, ভিড় ব্যবস্থাপনা, ট্রাফিক ও যানবাহন ব্যবস্থাপনা, চলাচল নিয়ন্ত্রণ, গরমের তীব্রতা প্রশমন, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি প্রভৃতি ক্ষেত্রে সৌদি সরকারের উদ্যোগ লক্ষণীয়। তথাপি কিছু ঝুঁকি থেকেই যায়। গরমের তীব্রতা লাঘবে জামারাতে কঙ্কর নিক্ষেপের সময় কিছুটা সংকুচিত করার কারণে এখনও সেখানে প্রচণ্ড ভিড় হয়ে থাকে। অনেক সময় জনস্রোতে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা তৈরি হয়। এ ছাড়া হজের আনুষ্ঠানিকতা পালনের জন্য দীর্ঘ পথ পায়ে হেঁটে পাড়ি দেওয়ার প্রয়োজন দেখা দিতে পারে। সবকিছু মিলিয়ে হজের আনুষ্ঠানিকতা পালনে শারীরিক সক্ষমতার বিষয়টি অত্যন্ত প্রণিধানযোগ্য।

সৌদি সরকার হজযাত্রীদের ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে শারীরিক সক্ষমতা ও সুস্থতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে থাকে। শারীরিক সক্ষমতা বা ফিজিক্যাল ফিটনেস ছাড়া হজে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই এবং হজ ভিসা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ফিজিক্যাল ফিটনেস সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি হৃদরোগ, ফুসফুস, লিভার ও কিডনির জটিলতায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা হজের অনুমতি পাবেন না। এ ছাড়া গুরুতর স্নায়ুবিক রোগ, মারাত্মক মানসিক অসুস্থতা কিংবা ডিমেনশিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদেরও হজ পালনের অনুমতি দেবে না সৌদি সরকার। ক্যান্সারে আক্রান্তদের ক্ষেত্রেও রয়েছে নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ। বর্তমানে কেমোথেরাপি, বায়োলজিক্যাল থেরাপি অথবা রেডিওথেরাপি গ্রহণ করছেন—এমন রোগীদের হজ পালনের অনুমতি দেওয়া হয় না।

শারীরিকভাবে অক্ষম ও দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তিদের হজ পালন বারিত করার নিমিত্ত নানাবিধ প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার পরও সৌদি সরকার হজযাত্রীদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের লক্ষ্যে ২০২৬ সাল থেকে হজ ও ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবের বাইরে থেকে আগতদের জন্য স্বাস্থ্য বীমা কভারেজ বাধ্যতামূলক করেছে। এটি হজ বা ওমরাহ যাত্রীদের ভিসার সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত, যা সৌদিতে অবস্থানকালে তাঁদের জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করে থাকে। এই বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্য বীমা চালু করার বিষয়টি হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের সামগ্রিক ভ্রমণ অভিজ্ঞতা উন্নত করার ক্ষেত্রে একটি বড় পদক্ষেপ। ৯০ দিনের এই বীমার আওতায় জরুরি চিকিৎসা, হাসপাতালে ভর্তি এবং দুর্ঘটনা বা হঠাৎ অসুস্থতাজনিত কারণে প্রয়োজনীয় যেকোনো জরুরি সেবা পাওয়া যায়।

জরুরি চিকিৎসা ব্যয়, বিশেষ করে বিদেশ ভ্রমণের সময়, প্রায়ই আর্থিকভাবে বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। এ কারণে হজ বা ওমরাহ যাত্রীরা যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে চিকিৎসা খরচের চিন্তা না করে তাঁদের আধ্যাত্মিক যাত্রার দিকে মনোযোগ দিতে পারেন, সেজন্য এই বাধ্যতামূলক স্বাস্থ্য বীমা চালু করেছে সৌদি সরকার। এর ফলে হজ কিংবা ওমরাহ যাত্রীরা পকেট থেকে অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই সৌদি আরবে অবস্থানকালীন পুরো সময় প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা পেয়ে থাকেন। এই উদ্যোগ হজ বা ওমরাহ যাত্রী এবং তাদের পরিবার উভয়ের মানসিক প্রশান্তি এনে দিয়েছে।

তাছাড়া স্বাস্থ্য বীমাকে ভিসার সঙ্গে যুক্ত করার মাধ্যমে সৌদি কর্তৃপক্ষ হজযাত্রীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়াকে সহজ করায় প্রশাসনিক বিলম্ব ছাড়াই দ্রুত জরুরি সেবা মিলছে। হজের মৌসুমে লাখ লাখ মানুষ যখন মক্কা এবং আশপাশের এলাকায় জমায়েত হন, তখন এ ধরনের দ্রুত সেবা প্রাপ্তির বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে, সৌদি আরবের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীরা হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলো সুস্পষ্ট অর্থ জোগান কাঠামোর সাহায্যে জরুরি কেসগুলো আরও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে পারছে। এর ফলে ব্যস্ততম সময়ে উচ্চ চাহিদা মেটাতে স্বাস্থ্যসেবা সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।

স্বাস্থ্য বীমা বাস্তবায়ন করা হজ ও ওমরাহর নিরাপত্তা এবং টেকসইতা বৃদ্ধির জন্য সৌদি আরবের বৃহত্তর লক্ষ্যের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। সৌদি সরকার হজযাত্রীদের জন্য অবকাঠামো, স্বাস্থ্যসেবাসহ আনুষঙ্গিক সেবা উন্নত করার জন্য অবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে চলেছে, যাতে আগত আল্লাহর মেহমানদের অভিজ্ঞতা যথাসম্ভব সহজ এবং নিরাপদ হয়। তাছাড়া প্রতিবছর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ভ্রমণকারী আসায় স্বাস্থ্যসেবা দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নতুন এই বীমা একটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও বটে, যা বিশাল জনস্রোত এবং চ্যালেঞ্জিং পরিবেশ থেকে উদ্ভূত স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সহায়তা করে। এর মধ্যে রয়েছে চরম গরমজনিত অসুস্থতা, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা এবং তীর্থযাত্রার আচার-অনুষ্ঠানের সময় দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা। সকল হজযাত্রীকে বীমার আওতাভুক্ত করার মাধ্যমে জরুরি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিলম্ব রোধ করতে সাহায্য করে এবং চিকিৎসা জরুরি অবস্থার আর্থিক বোঝাকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নিয়ে আসে।

হজ ভিসায় সৌদিতে প্রবেশকারী হজযাত্রীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই স্বাস্থ্য বীমার আওতাভুক্ত হন। স্বাস্থ্য বীমার প্রিমিয়ামটি ভিসার ফির সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত। এটা বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ যে, বীমাটির সর্বোচ্চ সীমা রয়েছে। এই সীমা অতিক্রমকারী যেকোনো খরচ হজযাত্রীকে সরাসরি পরিশোধ করতে হবে।

সৌদি সরকার হজযাত্রীদেরকে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক Canadian Triage and Acuity Scale (CTAS) দ্বারা শ্রেণিবিন্যাসকৃত লেভেলভিত্তিক স্বাস্থ্য বীমা কভারেজ দিয়ে থাকে—

লেভেল ১ (রিসাসিটেশন): জীবন হুমকিস্বরূপ অবস্থা (যেমন: কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট, শ্বাসযন্ত্রের ব্যর্থতা)। 

লেভেল ২ (অতীব জরুরি): গুরুতর অসুস্থতা বা আঘাত (যেমন: হাঁপানির আক্রমণ, তীব্র রক্তপাত, মারাত্মক পোড়া)।

লেভেল ৩ (জরুরি): স্থিতিশীল অবস্থা, যার জন্য একাধিক পরীক্ষা/অনুসন্ধানের প্রয়োজন হয় (যেমন: তীব্র পেটে ব্যথা, কাশিসহ উচ্চ জ্বর)।

লেভেল ৪ (নির্বাচিত কেসসমূহ): নির্দিষ্ট ছোটখাটো জরুরি অবস্থা, যার মধ্যে রয়েছে উচ্চ রক্তচাপ, গ্যাস্ট্রোএন্টেরাইটিস বা ফুড পয়জনিং, হিটস্ট্রোক, গোড়ালি মচকে যাওয়া ও তীব্র ব্রংকাইটিস।

উচ্চ রক্তচাপ, গোড়ালি মচকে যাওয়া বা খাদ্যে বিষক্রিয়া কিংবা খাদ্যজনিত অসুস্থতার মতো ছোটখাটো চিকিৎসা সমস্যার জন্য বীমা কভারেজ সীমিত। চিকিৎসার ফি নির্ধারিত ঊর্ধ্বসীমা অতিক্রম করলে (যেমন: আউটপেশেন্ট পরিষেবার জন্য আনুমানিক ৫০০ সৌদি রিয়াল), অতিরিক্ত অর্থ সংশ্লিষ্ট হজযাত্রীকে পরিশোধ করতে হবে। যেকোনো হজযাত্রীর জন্য সর্বোচ্চ কভারেজ হলো দুই লাখ সৌদি রিয়াল। যদি কোনো হজযাত্রীকে গুরুতর অসুস্থতার জন্য চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার বা হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয় এবং এই খরচ দুই লাখ সৌদি রিয়ালের বেশি হয়, সেক্ষেত্রে অতিরিক্ত অর্থ সংশ্লিষ্ট হজযাত্রীকে পরিশোধ করতে হবে।

স্বাস্থ্য বীমার বিধান অনুসারে সৌদিতে অবস্থানের সংবিধিবদ্ধ সময়কালে স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া যাবে। তবে যদি কোনো হজযাত্রী বীমা সুরক্ষার মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হন, তাহলে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র না পাওয়া বা দেশ ত্যাগ না করা পর্যন্ত কভারেজ অব্যাহত থাকবে। এটা বিশেষভাবে উল্লেখ্য যে, ৮ জিলহজ থেকে ১৩ জিলহজ পর্যন্ত চিকিৎসার জন্য হজযাত্রীদের পকেট থেকে কোনো খরচ বহন করতে হয় না। সীমার মধ্যে জরুরি চিকিৎসা সম্পূর্ণ কভার করা হয়। অন্যান্য সময়ে লেভেল-৪-এর নির্বাচিত কেসগুলোর জন্য ২০ শতাংশ খরচ হজযাত্রীদের পকেট থেকে নির্বাহ করতে হয় (সর্বনিম্ন ২০ থেকে সর্বোচ্চ ১০০ সৌদি রিয়াল)।

২০২৬ সালের হজে স্বাস্থ্য বীমাবহির্ভূত চিকিৎসা ব্যয়ের জন্য বাংলাদেশের ৩৪০ জন হাজিকে ৩০ লাখ ৯১ হাজার ২৪৩ সৌদি রিয়াল পরিশোধের জন্য পত্র দিয়েছে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে ৩১০ জন বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় এবং ৩০ জন সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালন করেছেন। শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, অন্যান্য দেশের হাজিদেরও বীমাবহির্ভূত ব্যয় পরিশোধের জন্য পত্র দেওয়া হয়েছে।

২০২৬ সালের পূর্বে সৌদিতে চিকিৎসার জন্য হজযাত্রীদের বীমার অতিরিক্ত কোনো টাকা পরিশোধ করতে হয়নি। সকল দেশের জন্যই এটি প্রথম অভিজ্ঞতা। কোনো রকম পূর্বপ্রস্তুতি না থাকায় সংশ্লিষ্ট হাজিদের কাছ থেকে বীমাবহির্ভূত চিকিৎসা ব্যয়ের টাকা উসুল করা সহজ হবে না। ইতোমধ্যে সরকারি মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট হাজিদের প্যাকেজ মূল্যের উদ্বৃত্ত টাকা থেকে বীমাবহির্ভূত চিকিৎসা ব্যয়ের টাকা কর্তন করে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু বেসরকারি মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট হাজিদের কাছ থেকে বীমাবহির্ভূত চিকিৎসা ব্যয়ের টাকা আদায় করা নিয়ে বিপাকে পড়েছে হজ এজেন্সিগুলো।

স্বাস্থ্য বীমা বাধ্যতামূলক হওয়ার প্রথম বছরে বিভিন্ন দেশের বহুসংখ্যক হাজির বীমা কভারেজ-বহির্ভূত খরচের টাকা পরিশোধের জন্য দাপ্তরিক পত্র দিয়েছে সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। স্থগিত বা ফ্রিজ করে রাখা হয়েছে হজ খরচের অর্থ লেনদেনের আইবিএএন (IBAN) হিসাব। অবস্থা দৃষ্টে মনে হয়, টাকা পরিশোধ ছাড়া অন্য কোনো গত্যন্তর নেই। সৌদি আরবে বিনামূল্যে হজযাত্রীদের যাবতীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়—এরূপ প্রচলিত ধারণা ভুলে যেতে হবে। এখন শুধু আবশ্যিক স্বাস্থ্য বীমার আওতায় মিলবে চিকিৎসা; বীমা কভারেজ-বহির্ভূত চিকিৎসা ব্যয়ভার বর্তাবে সংশ্লিষ্ট হজযাত্রীর ওপর।

পবিত্র হজযাত্রা প্রতিটি মুসলিমের জীবনে এক গভীর ও জীবন পরিবর্তনকারী আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা। এই পবিত্র সফর যাতে কেবল আধ্যাত্মিকভাবে সমৃদ্ধই নয়, বরং শারীরিকভাবেও নিরাপদ ও আরামদায়ক হয়, সেজন্য স্বাস্থ্য সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং স্বাস্থ্যসংক্রান্ত উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি থাকতে হবে।

কেকে/ এমএস


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলা মত ও সম্পাদকীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close