জয়পুরহাট সীমান্তে তিন যুবককে বাংলাদেশে জোরপূর্বক পুশ-ইনের চেষ্টা চালিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে স্থানীয় গ্রামবাসী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) দৃঢ় বাধায় তাদের সেই প্রচেষ্টা পণ্ড হয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সদর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।
বিজিবি-১৪ পত্নীতলা ব্যাটালিয়নের কড়িয়া ক্যাম্প ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকালে সীমান্তের ২৭৬ নম্বর মূল পিলার এলাকা দিয়ে বিএসএফ ওই তিন যুবককে অবৈধভাবে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়ার চেষ্টা করে।
স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী আজিম হোসেন জানান, সকালের দিকে সীমান্তঘেঁষা মাঠে কাজ করার সময় তিনি বিএসএফ সদস্যদের ওই তিন যুবককে সীমান্তের ২৭৬ নম্বর পিলারের কাছে এনে রাখার দৃশ্য দেখতে পান।
ঘটনাটি টের পেয়ে বিজিবি সদস্যরা দ্রুত তৎপরতা চালান। খবর পেয়ে স্থানীয় পশ্চিম রামকৃষ্ণপুর গ্রামের বাসিন্দারাও বিজিবির সঙ্গে যোগ দেন। ২৭৬ নম্বর মূল পিলার থেকে প্রায় ৩০০ গজ দূরে সড়কপথে বিজিবি ও স্থানীয় গ্রামবাসী সতর্ক অবস্থান নিয়ে পাহারা শুরু করেন। ফলে পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং ফেরত পাঠানো তিন যুবক বর্তমানে ভারতীয় সীমান্তের অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন।
ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিএসএফ-১২৩ ব্যাটালিয়নের দুর্গাপুর ক্যাম্প এবং বিজিবি-১৪ পত্নীতলা ব্যাটালিয়নের কড়িয়া ক্যাম্পের মধ্যে সকাল ১১টার দিকে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে প্রথম ঘণ্টার পতাকা বৈঠকে কোনো চূড়ান্ত সুরাহা মেলেনি।
বিজিবির কড়িয়া বিওপির কমান্ডার মহাতাব উদ্দিন জানান, বিএসএফ অন্যায়ভাবে ওই তিন যুবককে বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানোর চেষ্টা করেছিল। বিজিবি তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করে তাদের আবার ভারতীয় সীমান্তের অভ্যন্তরে ফেরত পাঠাতে সক্ষম হয়েছে। প্রথম দফার পতাকা বৈঠকে কোনো সমাধান না হওয়ায় এ বিষয়ে আরও একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
কেকে/এআই