পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণের ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার প্রথম দিনে মাছ ধরার সময় তিন জেলেকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। পরে তাদের এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাতে তেঁতুলিয়া নদীর চরহাদী নামক স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা পরিসংখ্যান কর্মকর্তা মো. মনিরুল হক, উপজেলা মৎস্য উপসহকারী আমিনুল ইসলাম, নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আলী হোসেনসহ নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা।
আটক ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর বাঁশবাড়িয়া গ্রামের আবদুর রহিম হাওলাদারের ছেলে মো. হাবিব হাওলাদার (৫৪), মৃত কাঞ্চন আলীর ছেলে মো. মাহবুব খাঁ (৫২) ও আহম্মেদ হাওলাদারের ছেলে মো. খোকন হাওলাদার।
জানা যায়, ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত উপজেলার তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশ সংরক্ষণকালীন সময়ে মাছ ধরা, আহরণ, মজুদ, ক্রয়, বিক্রয় ও পরিবহন সম্পূর্ণ নিষেধ। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধভাবে মাছ শিকার করার সময় উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য দপ্তর ও নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির যৌথ অভিযান চালিয়ে তিন জেলেকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের জাল ও মাছ ধরার ট্রলার জব্দ করা হয়।
পরে আটক তিনজনকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে হাজির করা হলে মৎস্য সংরক্ষণ আইনে প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা জরিমানা করা হয়। জব্দ করা জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদ হাসান মৃধা জানান, ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত তেঁতুলিয়া নদীতে মা ইলিশসহ সব ধরনের মাছ শিকার, আহরণ, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষেধ। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার করার সময় তিন জেলেকে আটক করা হয়। তাদের প্রত্যেককে এক মাসের কারাদণ্ড ও ৫০ টাকা জরিমানা করে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, মা ইলিশ সংরক্ষণকালীন সময়ে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কেকে/ এমএস