গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলায় গোয়ালঘরে ঢুকে একটি ষাঁড় জবাই করে মাংস নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গোয়ালঘরে পড়ে ছিল ষাঁড়টির মাথা, চামড়া ও নাড়িভুঁড়ি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাতে কালীগঞ্জ পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের তুমিলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন খামারি রাশেদ মোল্লা। ঘটনাস্থলটি টঙ্গী-ভৈরব-চট্টগ্রাম রেলপথের আড়িখোলা রেলওয়ে স্টেশনের কাছাকাছি।
ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, রাশেদ মোল্লার গোয়ালঘরে পাঁচটি গরু ছিল। প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতে গরুগুলোকে গোয়ালঘরে রেখে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে পড়েন। রাতের কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা গোয়ালঘরে ঢুকে একটি ষাঁড় জবাই করে মাংস নিয়ে যায়। বৃহস্পতিবার সকালে গোয়ালঘরে গিয়ে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি দেখতে পান।
রাশেদ মোল্লার বোন স্বর্ণা আক্তার জানান, ‘বসতঘর থেকে গোয়ালঘরটি কিছুটা দূরে হওয়ায় রাতে তারা কোনো শব্দ পাননি। সকালে গোয়ালঘরে গিয়ে ষাঁড়টি না দেখে খোঁজাখুঁজি করেন। পরে সেখানে মাথা, চামড়া ও নাড়িভুঁড়ি পড়ে থাকতে দেখেন।
রাশেদ মোল্লা জানান, তিনি ক্ষুদ্র খামারি। তার পাঁচটি গরুর মধ্যে ওই ষাঁড়টি সবচেয়ে বড় ও ভালো ছিল। কষ্ট করে পালন করা গরুটি হারিয়ে তিনি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।
কালীগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মাধ্যমে পুলিশ ঘটনাটি জানতে পেরেছে। পাঁচটি গরুর মধ্যে একটি ষাঁড়ের চামড়া, মাথা ও নাড়িভুঁড়ি রেখে মাংস নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।’
তিনি বলেন, ‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।’
কেকে/এআই