কেউ সংখ্যাগরিষ্ঠ বা সংখ্যালঘু নন, আইনের দৃষ্টিতে রাষ্ট্রের সব নাগরিক সমান বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। তিনি বলেন, ‘ধর্ম যার যার, দেশটা সবার।’ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে সবাইকে একসঙ্গে বসবাস করতে হবে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জয়পুরহাটের কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
সকাল থেকে তিন উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি পূজার পরিবেশ, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির খোঁজখবর নেন। পাশাপাশি পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্বেচ্ছাসেবক ও পুণ্যার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের মধ্যে বিভাজন করা উচিত নয়। প্রত্যেকের ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত করা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহনশীলতা বজায় রাখা সবার দায়িত্ব। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, দুর্গাপূজা যেন শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন পরিবেশে উদ্যাপিত হয়, তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় পুলিশ, আনসার ও স্বেচ্ছাসেবকদের সতর্কতা এবং সমন্বয়ের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন তিনি। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী।
পরিদর্শনকালে কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি), বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতারা এবং বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের জয়পুরহাট জেলা শাখার সদস্যসচিব উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, তিন উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা ঘিরে সার্বিক নিরাপত্তা ও স্বাভাবিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে তাদের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
কেকে/সাশ