কক্সবাজারের রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের পূর্ব বোমাংখিল নিবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক ও প্রবীণ শিক্ষাবিদ সৈয়দ আলম (৭২) মৃত্যুবরণ করেছেন।
বুধবার (২১ অক্টোবর) ভোর সাড়ে ৪টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন কন্যাসহ বহু আত্মীয়-স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে এশার নামাজরত অবস্থায় তিনি হঠাৎ ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরবর্তী অবস্থার অবনতি হলে চট্টগ্রাম ল্যাবএইড হাসপাতালে স্থানান্তর করে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। সেখান থেকে সরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে সেখানেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
তিনি নাইক্ষ্যংছড়ি হাজী এম. এ. কালাম সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন এবং ‘দৈনিক খোলা কাগজ’ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার মো. নেজাম উদ্দিনের বড় বোন রওশন আক্তার খুকির স্বামী।
বুধবার বিকালে রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের পূর্ব বোমাংখিল এলাকায় হাজারো শোকার্ত মানুষের উপস্থিতিতে মরহুম মাস্টার সৈয়দ আলমের নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাকে স্থানীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়।
মরহুম সৈয়দ আলম আজীবন গর্জনিয়া অঞ্চলে শিক্ষার আলো ছড়ানো, ইসলামী সমাজব্যবস্থা কায়েম ও সমাজ উন্নয়নে অনন্য ভূমিকা পালন করে গেছেন। তিনি গর্জনিয়া আলিম মাদরাসার প্রতিষ্ঠাকালীন অন্যতম শিক্ষক ছিলেন। এলাকার শিক্ষা প্রসারে তার এ অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
তার মৃত্যুতে গর্জনিয়া ও আশপাশের এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও শিক্ষক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন।
কেকে/এআই