রাজবাড়ীতে কলেজ ছাত্র ফুয়াদ চৌধুরী রোহান (২১) হত্যার বিচার এবং হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থদাতাদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে স্থানীয় এলাকাবাসী ও রোহানের সহপাঠীদের ব্যানারে জেলা শহরের আজাদী ময়দান থেকে প্রতিবাদ মিছিল বের হয়।
মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। এ সময় রোহান হত্যাকারী দ্রুত আইনের আওতায় আনা এবং হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ও অর্থদাতাদের আইনের মাধ্যমে বিদেশ থেকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের দাবি জানান বক্তারা।
সেই সঙ্গে রোহানের বাবাসহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারেরও দাবি জানানো হয়। হত্যার মূল পরিকল্পকারী ও অর্থদাতারা বিদেশে থেকে এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার করাসহ হুমকি ধামকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বক্তারা।
বিক্ষোভ শেষে সুষ্ঠ তদন্ত ও বিচারের দাবিতে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন ও পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন কাছে স্মারকলিপি পেশ করেন বিক্ষোভকারীরা।
বিক্ষোভে বক্তব্য দেন রোহানের বাবা ফরহাদ চৌধুরী, রাজবাড়ী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট লিয়াকত আলী, যুগ্মআহ্বায়ক গাজী আহসান হাবিব, রেজাউল করিম শিকদার পিন্টু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেদ পাভেল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খায়রুল আনাম বকুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান লিখন, আহ্বায়ক আব্দুল মালেক খান, দাদশী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার শেখ, সাবেক চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি গোলাম মোর্তজা প্রমুখ।
এছাড়া সমাবেশে জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলামসহ স্থানীয় এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। এ দিকে রোহান হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় এখন পর্যন্ত পুলিশ চারজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
উল্লেখ্য, গত ৫ অক্টোবর বিকালে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় রোহান। পরবর্তী ৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় তার নিজ বাড়ির অদূরে রাজবাড়ী সদরের দাদশী ইউনিয়নের পাকুড়িকান্দা প্রামের দিলীপ সেনের পরিত্যক্ত ডোবা থেকে তার পেট কাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পূর্ব শত্রুতা ও জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
কেকে/এআই