ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনের রুট কক্সবাজার পর্যন্ত বর্ধিত করা হচ্ছে। আগামীকাল সোমবর (২৬ অক্টোবর) থেকে ট্রেনটি ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলাচল করবে।
রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকী জানান, সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে (কমলাপুর) এ রুটের উদ্বোধন করা হবে। এ সময় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, নৌপরিবহন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। এ সময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ উপস্থিত থাকবেন।
ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে চলাচলকারী ৭২১/৭২২ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনের রুট বর্ধিত করে কক্সবাজার স্টেশন পর্যন্ত পরিচালনা করা হবে। ট্রেনটি চালুর সম্ভাব্য সোমবার (২৬ অক্টোবর)। এর মোট দূরত্ব ৪৪৭ দশমিক ৬৯ কিলোমিটার।
ট্রেনের সময়সূচি :
৭২১ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি কক্সবাজার থেকে সকাল ৯টায় ছেড়ে চট্টগ্রাম স্টেশনে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে পৌঁছাবে। সেখানে ২০ মিনিট বিরতির পর দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে ঢাকায় পৌঁছাবে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে।
অন্যদিকে, ৭২২ নম্বর মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে চট্টগ্রাম স্টেশনে রাত ২টা ৪০ মিনিটে পৌঁছাবে। সেখানে ২০ মিনিট বিরতির পর রাত ৩টায় ছেড়ে কক্সবাজার পৌঁছাবে সকাল ৬টায়। উভয় ট্রেনের রানিং টাইম ৯ ঘণ্টা ৩০ মিনিট।
কোচ ও আসনব্যবস্থা :
ট্রেনটিতে কোরিয়ান কোচ ব্যবহার করা হবে। মোট কোচ থাকবে ১৬টি। এর মধ্যে এসি কেবিন/বার্থ ২টি, এসি চেয়ার ৪টি, শোভন চেয়ার ৯টি (গার্ড ব্রেকসহ) এবং পাওয়ার কার ১টি। মোট আসনসংখ্যা ৭৩৬/৭০৬টি। ট্রেনটিতে এসি কেবিন/বার্থ, এসি চেয়ার ও শোভন চেয়ার শ্রেণির আসনব্যবস্থা থাকবে। মোট লোড ১৬/৩২।
যাত্রাবিরতি ও অন্যান্য তথ্য :
ট্রেনটির যাত্রাবিরতি স্টেশন হিসেবে বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরববাজার, আশুগঞ্জ, বি-বাড়ীয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট, ফেনী ও চট্টগ্রাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে যাত্রাবিরতি প্রত্যাহারের তালিকায় কুমিল্লা স্টেশনের নাম রয়েছে।
ট্রেনটির সাপ্তাহিক বন্ধের দিন রোববার। কক্সবাজার স্টেশনে ট্রেনের ব্রেক ভ্যান, ওয়াটারিং ও ক্লিনিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে।
ভাড়া পূর্বের নির্ধারিত হার অনুযায়ী বহাল থাকবে।
কেকে/এমএ