কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পৃথক তিনটি সড়ক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছেন।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দুটি দুর্ঘটনায় দুজন এবং রোববার (২৫ অক্টোবর) রাতে সড়ক পার হওয়ার সময় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় আরও একজনের মৃত্যু হয়।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগের কার্যসহকারী জিএম সেলিম (৪৫), কনকাপৈত ইউনিয়নের বসকরার গ্রামের নজির আহমেদ (৯৬) এবং মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার সিরাআই গ্রামের শাহজাহান মিয়ার ছেলে ইমরান হোসেন (৩৭)।
সোমবার দুপুরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরঞ্জন কুমার।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকালে বাতিসা বৈদ্দের বাজার থেকে কেনাকাটা শেষে মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন জিএম সেলিম। পথে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাতিসা ইউনিয়নের বসন্তপুর এলাকায় অজ্ঞাতনামা একটি গাড়ি তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়। সেলিম বসন্তপুর গ্রামের গাজী ধন মিয়ার ছেলে। তিনি বাতিসা ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন।
এর আগে সোমবার ভোরে মহাসড়কের ফালগুনকরা এলাকায় পিকআপের চাকা পরিবর্তনের সময় অজ্ঞাতনামা একটি গাড়ির ধাক্কায় চালক ইমরান হোসেন নিহত হন। তাঁর চালিত মিনি পিকআপটির নম্বর ছিল চট্টমেট্রো-ন-১৮-৯৩৩৪। দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
এদিকে রোববার রাতে চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার সামনে সড়ক পার হওয়ার সময় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় গুরুতর আহত হন ৯৬ বছর বয়সী নজির আহমেদ। স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
মিয়াবাজার হাইওয়ে থানার দ্বিতীয় কর্মকর্তা মনির হোসেন জানান, সোমবার ভোরে ফালগুনকরা এলাকা থেকে পিকআপচালকের মরদেহ উদ্ধার করে থানার ফাঁড়িতে নেওয়া হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
কেকে/সাশ