কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে পিটিয়ে হত্যা করা জামায়াতকর্মী কাজী মো. ইউসুফের জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। এ সময় হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন জামায়াতের নেতারা।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) যোহরের নামাজের পর উপজেলার কনকাপৈত ইউনিয়নের কনকাপৈত কলেজ মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জামায়াতের আমির অ্যাডভোকেট মো. শাহাজাহান, চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের আমির মু. মাহফুজুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের সাবেক আমির ভিপি সাহাব উদ্দিন, কনকাপৈত ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. ইকবাল হোসেন মজুমদার এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের নেতা নজরুল ইসলাম মজুমদারসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
জানাজায় অংশ নিয়ে নেতারা কাজী মো. ইউসুফ হত্যার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েক দিন আগে কনকাপৈত স্কুল মাঠে বালু ওঠানো-নামানো নিয়ে কাজী মো. ইউসুফের সঙ্গে পাশের বাতিসা ইউনিয়নের আমজাদের বাজারের ফারিহা এন্টারপ্রাইজের একটি ট্রাক্টরের চালকের বাগ্বিতণ্ডা হয়। প্রতিষ্ঠানটির মালিক আবুল কালাম আজাদ। ওই ঘটনার পর আবুল কালাম আজাদ ইউসুফকে আমজাদের বাজার এলাকায় যেতে নিষেধ করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এরপর সোমবার (২৬ অক্টোবর) ভোর আনুমানিক ৬টার দিকে মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ারিংয়ের উদ্দেশ্যে আমজাদের বাজারে গেলে ইউসুফকে আবুল কালাম আজাদ ও তার লোকজন মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
খবর পেয়ে স্বজনেরা তাকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
নিহত কাজী মো. ইউসুফ এলাকায় ইসলামী সংগীতশিল্পী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি মোটরসাইকেলে রাইড শেয়ারিংয়ের কাজ করতেন।
কেকে/সাশ