বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পৃথক দুটি অভিযানে ২৪ পিস বার্মিজ ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় একটি মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। জব্দ করা মালামালের মধ্যে মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোনসহ এক অভিযানে সিজার মূল্য ধরা হয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ১০০ টাকা। অন্য অভিযানে উদ্ধার করা ইয়াবার সিজার মূল্য ৫ হাজার ৭০০ টাকা।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার আদর্শগ্রাম চেকপোস্টে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে ১৯ পিস ইয়াবাসহ আতাউল করিম (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করে বিজিবি। তিনি কক্সবাজারের রামু উপজেলার কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের নতুন তিতারপাড়া গ্রামের মৃত জালাল আহমেদের ছেলে।
এর আগে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়নের (১১ বিজিবি) অধীন লেম্বুছড়ি বিওপির একটি টহলদল হাটুভাঙ্গাটিলা এলাকায় অভিযান চালায়। সীমান্ত পিলার ৪৯/১ এস থেকে প্রায় এক কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পরিচালিত ওই অভিযানে পাঁচ পিস বার্মিজ ইয়াবা, একটি মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল ফোনসহ মো. আমানুল হক (৩৮) ও মো. রফিক (২০) নামের দুজনকে আটক করা হয়।
আটক আমানুল হক রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের হাজিরমাঠ গ্রামের মৃত নুরুল হকের ছেলে। রফিক নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার লেম্বুছড়ি গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে। বিজিবির তথ্য অনুযায়ী, ওই অভিযানে জব্দ করা মালামালের সিজার মূল্য ১ লাখ ৮২ হাজার ১০০ টাকা।
বিজিবি জানায়, মঙ্গলবার আটক দুজনকে ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাঁদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে জব্দ করা মালামালসহ নাইক্ষ্যংছড়ি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার আটক আতাউল করিমের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি।
নাইক্ষ্যংছড়ি ব্যাটালিয়ন (১১ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল কবির পিএসসি ইঞ্জিনিয়ার্স বলেন, সীমান্ত সুরক্ষা, চোরাচালান ও মানবপাচার প্রতিরোধ, অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার এবং মাদক পাচার বন্ধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে বিজিবি কাজ করছে। সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি বজায় রাখা হয়েছে। মাদক পাচারসহ অন্যান্য অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে বিজিবির তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
কেকে/সাশ