বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,
১৩ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম: ● ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন : জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী বিএনপি প্রার্থী      ● তেল-গ্যাসে নাভিশ্বাস      ● ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন : শুরু হয়েছে ভোটগ্রহণ, লড়াইয়ে ৫ প্রার্থী      ● ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী      ● জাপানের সঙ্গে ৭টি চুক্তি ও সমঝোতা সই বাংলাদেশের      ● বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী জাপান      ● ডেঙ্গুতে আরও ৯ জনের প্রাণহানি, হাসপাতালে ভর্তি ১৯৮২      
খোলা মত ও সম্পাদকীয়
সাইবার হয়রানি থেকে শিশুদের নিরাপদ রাখা জরুরি
মো. নূর হামজা পিয়াস
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১৩ পিএম আপডেট: ২৯.১০.২০২৬ ১২:২৬ পিএম
ছবি : খোলা কাগজ

ছবি : খোলা কাগজ

প্রযুক্তির অভূতপূর্ব অগ্রগতি ও ডিজিটাল সংযোগের প্রসার দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। তবে এই প্রযুক্তিগত বিকাশের অন্তরালে শিশুদের নিরাপত্তা ও মানসিক সুস্থতার ওপর এক গভীর সংকট ঘনীভূত হচ্ছে। ইন্টারনেটের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মের নিরাপত্তাহীনতা কোমলমতি শিশুদের সাইবার জগতের নানাবিধ অপরাধের মুখোমুখি দাঁড় করাচ্ছে। প্রযুক্তিভিত্তিক উন্নয়নের সুফল বজায় রেখে শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ গড়ে তোলা এখন দেশের অন্যতম প্রধান নীতিগত জাতীয় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ন্যাশনাল চাইল্ড হেল্পলাইনের (১০৯৮) সর্বশেষ তথ্যমতে, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে শিশুদের সাইবার হয়রানির শিকার হওয়ার ঘটনা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে ৪২ শতাংশে পৌঁছেছে। এ পরিসংখ্যান স্পষ্ট করে যে অনলাইন জগতে আমাদের শিশুরা কতটা ঝুঁকিপূর্ণ ও অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। ব্ল্যাকমেইলিং, সাইবার বুলিং, ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে হেনস্তা এবং আপত্তিকর ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে শিশুদের ওপর যে মানসিকভাবে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলা হচ্ছে, তা অনেক ক্ষেত্রে তাদের স্থায়ী মানসিক ট্রমার দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

প্রযুক্তির সহজলভ্যতায় শিশুদের ইন্টারনেট ব্যবহারে আগ্রহী হওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক। করোনাকালীন সময়ের পর থেকে অনলাইন শিক্ষা ও পড়াশোনার প্র প্রয়োজনীয়তায় শিশুদের হাতে ডিজিটাল ডিভাইস তুলে দেওয়ার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। অনেক ক্ষেত্রে অভিভাবকরা সচেতনতার অভাবে বা পড়াশোনায় সাহায্য পাওয়ার অজুহাতে সন্তানদের বয়সের সঠিক তথ্য গোপন করে ভুয়া জন্মতারিখ দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খুলে দিচ্ছেন। অভিভাবকত্বে এই অসচেতনতা শিশুদের অনিরাপদ ও উন্মুক্ত সাইবার জগতে অরক্ষিতভাবে ঠেলে দেওয়ার পথ প্রশস্ত করছে।

বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম যেমন ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম বা ইউটিউবের বৈশ্বিক ব্যবহারকারী নীতিমালায় ১৩ বছরের নিচের কোনো শিশুর অ্যাকাউন্ট খোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এটি চিলড্রেনস অনলাইন প্রাইভেসি প্রোটেকশন অ্যাক্ট (COPPA) সহ আন্তর্জাতিক প্রাইভেসি নীতিমালার একটি মৌলিক শর্ত। ১৩ বছরের কম বয়সি শিশুর চিন্তাশক্তি ও মানসিক পরিপক্বতা অনলাইন জগতের জটিলতা, তথ্য চুরি ও অসাধু ব্যক্তিদের প্রতারণামূলক ফাঁদ চেনার জন্য পর্যাপ্ত নয়। বয়সের কড়াকড়ি উপেক্ষা করে শিশুদের অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে দিলে তারা প্রত্যক্ষ সাইবার ঝুঁকির মুখে পড়ে।

বাংলাদেশে সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ ও অনলাইন সুরক্ষায় ‘সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩’ (Cyber Security Act, 2023) বহাল রয়েছে। এই আইনের একাধিক ধারায় অনলাইনে কাউকে চরিত্রহনন, মানহানি বা সাইবার স্টকিং করার অপরাধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী ভুয়া পরিচয় ধারণ করে কারসাজি করা এবং ২৫ ধারায় আক্রমণাত্মক বা ভীতিপ্রদর্শনমূলক তথ্য প্রকাশের অপরাধে শাস্তির স্পষ্ট উল্লেখ আছে। শিশুদের সুরক্ষায় এই আইনগুলোর কঠোর ও দ্রুত প্রয়োগ নিশ্চিত করা সাইবার অপরাধীদের দমনে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারে।

অনলাইনে শিশুদের ব্যবহার করে কোনো প্রকার আপত্তিকর ছবি বা ভিডিও তৈরি, সংরক্ষণ কিংবা ছড়ানোর মতো ঘৃণ্য অপরাধ দমনে ‘পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২’ অত্যন্ত কঠোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করে। এই আইনের ৮(১) ও ৮(২) ধারা অনুযায়ী শিশু পর্নোগ্রাফি উৎপাদন, বিপণন বা ইন্টারনেটে প্রকাশ করা একটি অ-জামিনযোগ্য ও চরম গুরুতর অপরাধ। এই অপরাধের শাস্তি হিসেবে সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং বিপুল অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে, যা শিশুদের সাইবার যৌন হয়রানি থেকে সুরক্ষা দিতে একটি শক্তিশালী আইনি প্রাচীর হিসেবে কাজ করে।

সংবিধান ও আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার সনদের আলোকে প্রণীত ‘শিশু আইন, ২০১৩’ শিশু অধিকার রক্ষায় রাষ্ট্র ও সমাজের ওপর আইনি বাধ্যবাধকতা অর্পণ করে। এই আইনের ৭০ ধারা অনুযায়ী কোনো শিশুকে মানসিক বা শারীরিকভাবে নিষ্ঠুরতার শিকার করা বা অনৈতিক কাজে ব্যবহার করা দণ্ডনীয় অপরাধ। ডিজিটাল মাধ্যমে যখন কোনো শিশুকে বুলিং বা সাইবার হেনস্তার মাধ্যমে মানসিকভাবে নিগৃহীত করা হয়, তখন তা শিশু আইনের সরাসরি লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হয়। শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগীয় নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোর অ্যালগরিদম এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যা ব্যবহারকারীকে টানা অনলাইনে ধরে রাখতে ক্ষতিকর ও অনুপযুক্ত কনটেন্ট তাদের সামনে নিয়ে আসে। শিশুরা তাদের কৌতূহলবশত সহজেই এই ধরনের অনুপযুক্ত বা সহিংস উপাদানের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে পড়ে। অনিয়ন্ত্রিত অনলাইন গেমস ও বেটিং সাইটের বিজ্ঞাপন শিশুদের বিভ্রান্ত করে সাইবার অপরাধের দিকে ধাবিত করছে। শিশুদের নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য টেক জায়ান্টদের ওপর জাতীয়ভাবে প্যারেন্টাল কন্ট্রোল এবং কার্যকর ফিল্টারিং ব্যবস্থা জোরদারের চাপ দেওয়া প্রয়োজন।

অনলাইনে নিয়মিত কুৎসিত মন্তব্য, হুমকি কিংবা বডি শেমিংয়ের শিকার হয়ে শিশুরা গভীর বিষণ্নতা ও দুশ্চিন্তায় ভুগতে থাকে। পড়াশোনায় মনোযোগ হারিয়ে ফেলা, সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া এবং এমনকি আত্মহত্যার মতো চরম পথ বেছে নেওয়ার মতো ঘটনাও বাংলাদেশে ঘটছে। অনেক শিশু ভয়ে বা লজ্জায় বাবা-মাকে কিছু বলতে পারে না, ফলে ভেতরের ট্রমা তাদের স্বাভাবিক বিকাশ স্তব্ধ করে দেয়। সাইবার বুলিং শুধু অনলাইন অপরাধ নয়, এটি শিশুর মৌলিক জীবন ধারণের অধিকারকে বিপন্ন করে তোলে।

অনলাইন জগতে শিশুরা প্রায়শই বেনামী ‘অনলাইন গ্রুমিং’ (Online Grooming) বা পেডোফাইল চক্রের শিকার হয়। অপরাধীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে ভুয়া আইডি খুলে ছদ্মবেশে শিশুদের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তোলে এবং পরবর্তীতে ব্ল্যাকমেইল করে সংবেদনশীল ছবি বা তথ্য হাতিয়ে নেয়। সাইবার স্পেসের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার কারণে শিশুরা এই ধরনের অপরাধীদের সহজ লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে, যা প্রতিরোধে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষায়িত সাইবার ক্রাইম ইউনিটের তৎপরতা বহুগুণ বাড়াতে হবে।

শিশুদের সাইবার সুরক্ষায় সবচেয়ে বড় ও প্রথম দুর্গ হলো পারিবারিক সচেতনতা। অভিভাবকদের সন্তানদের ডিজিটাল কর্মকাণ্ডে নজরদারি রাখার পাশাপাশি প্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে বন্ধুত্বপূর্ণ আলোচনা করতে হবে। মোবাইল বা কম্পিউটারে ‘প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ফিল্টার’ ও শিশু মোড (Kids Mode) চালু রাখার নিয়ম তৈরি করা জরুরি। পড়াশোনার প্রয়োজনে ডিভাইস দিলেও তা যেন নির্ধারিত সময়ে এবং প্রকাশ্য স্থানে ব্যবহার করা হয়, সেই পারিবারিক শৃঙ্খলা ও মানসিক সংযোগ গড়ে তোলা অভিভাবকদের অন্যতম দায়িত্ব।

বিদ্যালয়গুলোতে শুধু কম্পিউটার শিক্ষা দিলেই হবে না; বরং ‘সাইবার নিরাপত্তা ও ডিজিটাল সচেতনতা’ বিষয়টিকে পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। কোনটি সাইবার অপরাধ, অনলাইনে অপরিচিত কারো সাথে যোগাযোগের ঝুঁকি কতটা এবং কীভাবে নিজের প্রাইভেসি রক্ষা করতে হয় তা শিশুদের ছোটবেলা থেকেই শেখানো উচিত। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সাইবার বুুলিং সংক্রান্ত অভিযোগ সেল এবং কাউন্সেলিং ব্যবস্থা থাকলে ভুক্তভোগী শিশুরা নিঃসংকোচে তাদের সমস্যার কথা শিক্ষকদের জানাতে পারবে।

সাইবার অপরাধের শিকার শিশুদের দ্রুত সহায়তা ও উদ্ধার করতে ‘১০৯৮’ হেল্পলাইন ও পুলিশের ‘সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন’ ইউনিট প্রশংসনীয় কাজ করছে। তবে আইনি ব্যবস্থার আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও প্রমাণের ডিজিটাল ফরেনসিক প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতার কারণে অনেক সময় অপরাধীরা পার পেয়ে যায়। অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথে তাৎক্ষণিক অ্যাকশন নেওয়া, আপত্তিকর কনটেন্ট দ্রুত বিটিআরসির (BTRC) মাধ্যমে অপসারিত করা এবং ভুক্তভোগীদের পরিচয় গোপন রাখা নিশ্চিত করা গেলে আইনি ব্যবস্থার প্রতি ট্রাস্ট বহু গুণ বাড়বে।

শিশুদের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে দেশে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন’ (Personal Data Protection Act) প্রণয়ন করা সময়ের দাবি। বিভিন্ন অ্যাপ ও অনলাইন গেমস শিশুদের নাম, অবস্থান, ছবি ও ব্যবহারের ধরন সম্পর্কিত সংবেদনশীল ডেটা সংগ্রহ করে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে। আইনি সুরক্ষা না থাকলে শিশুদের এই সংবেদনশীল ডেটা পরবর্তীতে অপরাধ চক্রের হাতে পৌঁছানোর চরম ঝুঁকি থাকে। আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড অনুসরণ করে শিশুদের ডেটা সংগ্রহে সম্পূর্ণ আইনি নিষেধাজ্ঞা ও কড়াকড়ি আনা আবশ্যক।

সাইবার হয়রানির শিকার শিশু শুধু আইনি বিচার পেলেই তার ক্ষত সেরে যায় না; তার জন্য দীর্ঘমেয়াদী মনস্তাত্ত্বিক কাউন্সেলিং ও মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা জরুরি। সামাজিক কটূক্তি ও ভিকটিম ব্লেমিং প্রতিরোধে সমাজে সচেতনতা তৈরি করতে হবে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিটি জেলায় সাইবার ট্রমা কাউন্সেলিং সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা গেলে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুরা পুনরায় স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সাহস পাবে এবং তাদের শিক্ষাজীবন থমকে যাবে না।

বাংলাদেশ ট্রাফিক এন্ড টেলিকম রেগুলেটরি কমিশন (BTRC) ও আইএসপি (ISP) প্রদানকারীদের মাধ্যমে জাতীয় পর্যায়ে পর্নোগ্রাফি, সহিংসতা ও ক্ষতিকর চাইল্ড-অ্যাবিউজ কনটেন্ট সমৃদ্ধ ওয়েবসাইটগুলো স্থায়ীভাবে ব্লক করার মেকানিজম গড়ে তুলতে হবে। সাইবার স্পেসকে শিশুদের জন্য নিরাপদ রাখতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর ফিল্টারিং প্রযুক্তি ব্যবহার করা যেতে পারে। জাতীয় ফায়ারওয়াল শক্তিশালী করার মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপরাধমূলক প্ল্যাটফর্মগুলোর অ্যাক্সেস শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব।

সাইবার সুরক্ষা শুধু আইনের মাধ্যমে নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, এর জন্য প্রয়োজন একটি ব্যাপক সামাজিক প্রতিরোধ আন্দোলন। সংবাদপত্র, টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনিরাপদ অনলাইন ব্যবহারের ঝুঁকি এবং আইনি প্রতিকার সম্পর্কিত তথ্য নিয়মিত প্রচার করতে হবে। কমিক বই, শর্ট ফিল্ম ও সামাজিক নাটকের মাধ্যমে শিশুদের ও অভিভাবকদের সহজ ভাষায় ডিজিটাল লিটারেসি ও প্রাইভেসির নিয়ম শেখানো গেলে তা সার্বিক সচেতনতা তৈরিতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

লেখক : কলামিস্ট

কেকে/এআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  সাইবার   হয়রানি   শিশুদের   নিরাপদ   রাখা   জরুরি  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলা মত ও সম্পাদকীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close