প্রথম দিনের ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহের সম্ভাবনা তৈরি করলেও দ্বিতীয় দিনের প্রথম সেশনেই ধসে পড়ল বাংলাদেশের ইনিংস। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁহাতি স্পিনার জোমেল ওয়ারিকানের পাঁচ উইকেটের ঘূর্ণিতে ২৭২ রানেই অলআউট হয়েছে স্বাগতিকরা।
আগের দিন ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় দিন শুরুতেই ক্যারিয়ারের তৃতীয় টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। প্রথম দিন ২১৯ বলে ৯৯ রানে অপরাজিত থাকা এই ব্যাটার দ্বিতীয় দিনের প্রথম দুই বলেই প্রয়োজনীয় এক রান নিয়ে শতক পূর্ণ করেন।
তবে সেঞ্চুরির পর বেশিক্ষণ উইকেটে থাকতে পারেননি সাদমান। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বাঁহাতি স্পিনার জসুয়া বিশপের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন তিনি। তার ব্যাট থেকে আসে ১০৫ রান। দলীয় সংগ্রহ তখন ২২১।
এরপর ক্রিজে আসা তাওহিদ হৃদয়ও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। বিশপের বলেই বোল্ড হয়ে কোনো রান যোগ না করেই সাজঘরে ফেরেন তিনি। আগের দিনের ইনিংসে তার সংগ্রহ ছিল ৪২ রান।
বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়ে বড় ভূমিকা রাখেন ওয়ারিকান। তার বাঁহাতি অর্থোডক্স স্পিন সামলাতে ব্যর্থ হন স্বাগতিক ব্যাটাররা। একাই পাঁচ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের ইনিংস গুটিয়ে দিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন তিনি। অন্যদিকে বিশপ ফেরান সেঞ্চুরিয়ান সাদমান ও সেট হয়ে যাওয়া হৃদয়কে।
মাঝে লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। দুজনের জুটিতে যোগ হয় ৩২ রান। তবে ১৫ রান করে মিরাজ আউট হওয়ার পর বাংলাদেশের বাকি ব্যাটাররা দ্রুত উইকেট হারাতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন লিটন দাস।
প্রথম দিনের অবস্থান থেকে বড় সংগ্রহের আশা জাগালেও দ্বিতীয় দিনের শুরুতে দ্রুত উইকেট হারিয়ে ২৭২ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৯৭.৪ ওভারে ২৭২ রান (সাদমান ১০৫, হৃদয় ৪২, লিটন ৩৪*, মুমিনুল ২৮, নাজমুল ১৯, মিরাজ ১৫; ওয়ারিক্যান ৫/৫৩, বিষপ ২/৬১, জোসেফ ২/৪১, চেজ ০/৫৩)।
কেকে/এআই