দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামে হামলা, মামলা, কারাবরণ ও আর্থিক ক্ষতির শিকার হয়েও প্রত্যাশিত মূল্যায়ন না পেয়ে ঢাকা মহানগর বিএনপির অনেক ত্যাগী নেতা নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন বলে মনে করছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। বিএনপি সরকার গঠনের আট মাস পার হলেও দীর্ঘদিন দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করা অনেকের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। ফলে কেউ কেউ সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে আগ্রহ হারাচ্ছেন, আবার অনেকে দলীয় কর্মসূচি থেকেও দূরে থাকছেন।
অন্যদিকে দুঃসময়ে রাজপথে সক্রিয় না থাকা কিছু সুবিধাভোগী নেতার প্রভাব বাড়ায় তৃণমূলে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির কমিটি বিলুপ্তি, দক্ষিণের নতুন নেতৃত্ব নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রভাবশালী নেতাদের মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান তৎপরতা না থাকায় দলটি সাংগঠনিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ছে। সামনে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচন, যেখানে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির আগাম তৎপরতাও বিএনপির জন্য প্রতিযোগিতার চাপ তৈরি করছে। এমন পরিস্থিতিতে ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন, মহানগর কমিটির পুনর্গঠন, কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সমন্বয় এবং নির্বাচনি প্রস্তুতি জোরদার করাই এখন রাজধানীতে বিএনপির নেতৃত্বের বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের হতাশার বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তার মতে, দীর্ঘ আন্দোলনে অনেকে নিঃস্ব হয়েছেন, অথচ তাদের প্রত্যাশা পূরণ করা সম্ভব হয়নি। এ পরিস্থিতিতে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং তাদের যথাযথ মূল্যায়ন করা জরুরি বলে মনে করছেন তিনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বড় নেতাদের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক অবস্থান বা বিচ্ছিন্ন কর্মসূচির চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, তাদের নেতৃত্বে দলীয় সংগঠন কতটা ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। মহানগর, থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিট পর্যায়ে নিয়মিত সভা, কর্মিসমাবেশ, জনসংযোগ এবং নির্বাচনি প্রস্তুতি না থাকলে কেবল কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ওপর নির্ভর করে রাজধানীতে শক্তিশালী সাংগঠনিক অবস্থান ধরে রাখা কঠিন।
সিটি নির্বাচন সামনে রেখে প্রস্তুতির ঘাটতি, প্রতিদ্বন্দ্বীদের তৎপরতায় বাড়ছে চাপ
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক তৎপরতা বাড়ার কথা থাকলেও বিএনপি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করেনি। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি সম্ভাব্য প্রার্থী নির্ধারণ এবং প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানান দেওয়ার চেষ্টা করছে।
সাধারণ ভোটারদের মতে, ঢাকার রাজনীতিতে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপির তৎপরতা বিএনপির জন্য নতুন প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে তরুণ ভোটার, নাগরিক সমস্যা, নগরসেবা, যানজট, জলাবদ্ধতা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ফুটপাত দখল এবং স্থানীয় পর্যায়ে সেবা নিশ্চিত করার মতো বিষয়গুলো সিটি নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
চাঁদাবাজি-দখলবাজির অভিযোগ বিএনপির একাংশের বিরুদ্ধে, সংগঠনিক তৎপরতায় জামায়াত-এনসিপি
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পরিবহন টার্মিনাল, বাসস্ট্যান্ড, ফুটপাত, কাঁচাবাজার ও স্থানীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চাঁদাবাজি ও দখলবাজির অভিযোগ উঠছে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার, কর্মী সংগঠিত করা এবং নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান শক্তিশালী করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে। ফলে মাঠপর্যায়ে বিএনপির কিছু নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ দলটির ভাবমূর্তি ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করছে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দলীয় পরিচয় ব্যবহার করে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীকে কারণ দর্শানোর নোটিস, পদ থেকে অব্যাহতি কিংবা বহিষ্কারের মতো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও সামনে এসেছে।
ঢাকার রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় একাধিক প্রভাবশালী নেতা
ঢাকার রাজনীতিতে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করা, তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা এবং সরকারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ। দুজনই অবিভক্ত ঢাকা মহানগর বিএনপির নেতৃত্ব দিয়েছেন। মেয়র, সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি রাজধানীর রাজনীতিতে নিজস্ব প্রভাববলয় তৈরি করেছেন তারা।
মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া সাদেক হোসেন খোকা দীর্ঘদিন অবিভক্ত ঢাকা মহানগর বিএনপির নেতৃত্ব দিয়েছেন। পুরান ঢাকায় দলীয় সংগঠন শক্তিশালী করা, নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখা এবং জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি ঢাকা-৭ আসন থেকে একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। বিএনপি সরকারের সময়ে প্রতিমন্ত্রী এবং মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০০২ সালে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর ২০১১ সালে সিটি করপোরেশন বিভক্ত হওয়া পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন ছাদেক হোসেন খোকা। তবে খোকার মৃত্যুর পর তার রাজনৈতিক উত্তরাধিকার কতটা পূরণ হয়েছে এ নিয়ে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে।
এছাড়া ঢাকার রাজনীতিতে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ে তোলা এবং বিভিন্ন সময়ে আন্দোলন-সংগ্রাম পরিচালনায় একাধিক জ্যেষ্ঠ ও প্রভাবশালী নেতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। মরহুম ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত, মরহুম মির্জা গোলাম হাফিজ এবং মরহুম লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মীর শওকত হোসেনের মতো নেতারা ঢাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের সংগঠিত করতে ভূমিকা রাখেন। পুরান ঢাকার, বিশেষ করে লালবাগ ও চকবাজার এলাকার অত্যন্ত পরিচিত ও প্রভাবশালী নেতা ছিলেন মরহুম নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু। অন্যদিকে, শ্যামপুর-কদমতলী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে ঢাকার রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন সালাহউদ্দিন আহমেদ।
বর্তমান নেতাদের মধ্যে মির্জা আব্বাস ঢাকার রাজনীতিতে বিএনপির অন্যতম প্রভাবশালী নেতা। মির্জা আব্বাস বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং ঢাকার রাজনীতিতে দলটির অন্যতম প্রভাবশালী নেতা। ১৯৭০-এর দশকের শেষভাগ থেকে রাজনীতিতে সক্রিয় এই নেতা অবিভক্ত ঢাকা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি, সাবেক মেয়র ও মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পুরান ঢাকা, মতিঝিল ও রমনা অঞ্চলে দলীয় রাজনীতিতে তার দীর্ঘদিনের প্রভাব রয়েছে।
১৯৯১ সালে অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন মির্জা আব্বাস। পরে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, ভূমিমন্ত্রী এবং গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ঢাকা-৬ ও ঢাকা-৮ আসনে সংসদ সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। ২০২৬ সালের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে নির্বাচিত হন মির্জা আব্বাস। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ।
ঢাকার রাজনীতিতে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি গড়ে তোলা, আন্দোলন-সংগ্রাম পরিচালনা এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন দলটির একাধিক প্রভাবশালী নেতা। এদের মধ্যে ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা নেতা আমানউল্লাহ আমান। যিনি ডাকসুর সাবেক ভিপি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক হিসেবে রাজধানীতে দলীয় সংগঠন ও আন্দোলনে তার ভূমিকাও বিস্তর। অন্যদিকে হাবীবউন নবী খান সোহেল মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক সভাপতি হিসেবে দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও আন্দোলন-সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন।
আবদুস সালাম মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক হিসেবে সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করেছেন। আমিনুল হক উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক হিসেবে সংগঠন পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন। কমিটি বিলুপ্তির পর উত্তর বিএনপির নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনায় তার নামও রয়েছে।
অন্যদিকে, ইশরাক হোসেন অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মরহুম সাদেক হোসেন খোকার ছেলে। পারিবারিক রাজনৈতিক উত্তরাধিকার এবং নিজস্ব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে তিনি ঢাকার বিএনপির তরুণ নেতৃত্বের অন্যতম পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন। ঢাকা-৬ আসনের রাজনীতিতে তার সক্রিয়তা পুরান ঢাকায় দলটির সাংগঠনিক অবস্থানের সঙ্গে যুক্ত।
বর্তমানে দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম মজনু ও সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিন সংগঠন পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন। উত্তর বিএনপির নেতৃত্বে এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, মামুন হাসান ও এম এ কাইয়ুমের মতো নেতাদের নামও সাংগঠনিক আলোচনায় রয়েছে।
তবে এসব নেতার বর্তমান সাংগঠনিক তৎপরতা, নিয়মিত কর্মসূচি, তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সিটি নির্বাচন সামনে রেখে রাজধানীতে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখতে তাদের বর্তমান ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই।
দলীয় নেতাকর্মীদের একাংশের মতে, অতীতের আন্দোলনে ভূমিকা রাখা কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন এবং জ্যেষ্ঠ ও নবীন নেতাদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে রাজধানীতে বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি ধরে রাখা কঠিন হতে পারে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, রাজধানীর সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হলে শুধু বড় সমাবেশ বা কেন্দ্রীয় কর্মসূচি যথেষ্ট নয়। নিয়মিত সাংগঠনিক বৈঠক, কর্মীদের মূল্যায়ন, স্থানীয় নেতৃত্বের মধ্যে দায়িত্ব বণ্টন এবং নির্বাচনি এলাকার ভিত্তিতে পরিকল্পনা প্রয়োজন। একইসঙ্গে দলীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্বচ্ছতা ও সমন্বয় থাকলে নেতৃত্বের প্রতি কর্মীদের আস্থা বাড়তে পারে।
উত্তর-দক্ষিণের কমিটি নিয়ে অপেক্ষা
ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির সাংগঠনিক নেতৃত্ব পুনর্গঠন নিয়ে অপেক্ষা দীর্ঘ হচ্ছে। দুবছর ধরে আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে চলার পর উত্তর বিএনপির কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে দক্ষিণ বিএনপির নতুন নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কাঠামো নিয়েও আলোচনা চলছে। ফলে রাজধানীর দুই গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক ইউনিটে নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা, তৃণমূলের সঙ্গে সমন্বয় এবং ভবিষ্যৎ নির্বাচনি প্রস্তুতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
উত্তর বিএনপির নেতৃত্বের আলোচনায় সাবেক আহ্বায়ক আমিনুল হক, ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর, বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মামুন হাসান, আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার এবং শফিকুল ইসলাম খান মিল্টনের নামও আলোচনায় আছে। অন্যদিকে দক্ষিণ বিএনপির নেতৃত্বে বর্তমান আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম মজনু ও সদস্যসচিব তানভীর আহমেদ রবিনের পাশাপাশি যুগ্ম আহ্বায়ক লিটন মাহমুদসহ কয়েকজন নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে। নতুন কমিটিতে কারা দায়িত্ব পাবেন, তা নিয়ে প্রত্যাশা থাকলেও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের অপেক্ষা করছেন সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীরা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, নেতৃত্ব পরিবর্তনশীল। আজকের কর্মীরাই আগামী দিনে দলের নেতৃত্ব দেবেন এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় ভূমিকা রাখবেন। তবে অভিজ্ঞতার আলাদা মূল্য রয়েছে। বিএনপি নতুন নেতৃত্ব তৈরির পাশাপাশি অভিজ্ঞ নেতাদেরও সামনে রাখছে।
কেকে/ এমএস