শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬,
১৪ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম: ● জাপানের শ্রমবাজারে ঢাকা কেন পিছিয়ে      ● চার দিনের জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী      ● এলপিজির কমিশন বাড়ানোর প্রস্তাব, বাড়তে পারে সিলিন্ডারের দাম      ● দুই ঘণ্টা পর মিরপুর-১০ ছাড়লেন পোশাকশ্রমিকেরা, যান চলাচল স্বাভাবিক      ● মানবতাবিরোধী অপরাধে হানিফের মৃত্যুদণ্ড      ● ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন : জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী বিএনপি প্রার্থী      ● তেল-গ্যাসে নাভিশ্বাস      
খোলা মত ও সম্পাদকীয়
হাসিনার ফেরার গুজব দেশকে অস্থিতিশীল করতে পারে
লুৎফর রহমান
প্রকাশ: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:১০ পিএম

আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন জুলাই আন্দোলন ২০২৪ এর আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত ও পলাতক সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের রাজনীতিতে এই একটা ইস্যুকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন অপতৎপরতা শুরু হয়েছে। বিভ্রান্তি ও গুজব ছড়ানো হচ্ছে সারা দেশে। ষড়যন্ত্রের ডালপালা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে সর্বত্র। 

শেখ হাসিনাকে ভারত থেকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্যে বাংলাদেশ সরকার দীর্ঘদিন যাবৎ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অথচ এই প্রচেষ্টা প্রসঙ্গ ধামাচাপা দিয়ে আগামী ডিসেম্বরে স্ব-ইচ্ছায় শেখ হাসিনা দেশে প্রত্যাবর্তন করবেন বলে যে প্রচারণা ও গুঞ্জন সৃষ্টি করা হচ্ছে তা শুধু ষড়যন্ত্রমূলক ও বিভ্রান্তির অপচেষ্টা মাত্র। সমস্ত বৈরী চ্যালেঞ্জকে মোকাবিলা করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও এর আইনশৃঙ্ক্ষলা বাহিনীসমূহের অর্জিত সাফল্য এই ষড়যন্ত্রের সঠিক জবাব হতে পারে। 

দেশের আইনশৃঙ্ক্ষলা রক্ষায় স্বরাষ্ট্র যন্ত্রণালয়ের সাফল্যের পরিসংখ্যান লক্ষ্য করলেই বোঝা যায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঠিক কার্যক্রমে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ভালোভাবেই কাজ করছে। ডাকাতি, খুন, নারী ও শিশু নির্যাতনসহ দেশের প্রধান সাতটি অপরাধের ক্যাটাগরিতে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম নয় মাসে মামলার সংখ্যা অনেক কমেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তুলনামূলক পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য জানা যায়। 

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় ২০২৬ সালের একই সময়ে ডাকাতি, দস্যুতা, খুন, দাঙ্গা, নারী ও শিশু নির্যাতন ও অপহরণের ঘটনা কমেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সাতটি ক্যাটাগরিতে সম্মিলিত মামলার সংখ্যা ২০২৫ সালের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বরে ১৮ হাজার ৬৬১টি থেকে কমে এ বছরের একই সময়ে ১৭ হাজার ৩৩৫টিতে নেমে এসেছে। অর্থাৎ ১ হাজার ৩২৬টি মামলা বা প্রায় ৭.১ শতাংশ কমেছে।

জুলাই-সেপ্টেম্বর মেয়াদের আলাদা একটি তুলনামূলক তথ্যে দেখা যায়, তালিকাভুক্ত সাতটি অপরাধ ক্যাটাগরিতে রেকর্ড করা ঘটনার সংখ্যা ২০২৫ সালের ৬ হাজার ৯১টি থেকে কমে ২০২৬ সালে ৫ হাজার ৫৩২টিতে নেমে এসেছে, যা ৫৫৯টি মামলা বা ৯.২ শতাংশ কমেছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, কয়েকটি প্রধান অপরাধ কমেছে। এর ফলে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিগত সময়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে উন্নতি হয়েছে। এই তথ্যের বিশ্লেষণ দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতির চিত্র তুলে ধরে।

দেশে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, পুলিশের সংকলিত তথ্য অনুযায়ী খুন, অপহরণ ও নারী নির্যাতনসহ অন্যান্য অপরাধ গত বছরের তুলনায় অনেক কমেছে।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর ধারাবাহিক প্রচেষ্টাকে এই উন্নতির কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২৫ সালের নয় মাসে ৬২টি দাঙ্গার ঘটনা ঘটেছে, সেখানে ২০২৬ সালে এই সংখ্যা কমে দাঁড়িয়েছে ১৭টিতে। ৪৫টি মামলা কমে যাওয়ার এই ঘটনাটি জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর মেয়াদের জন্য তালিকাভুক্ত সাতটি ক্যাটাগরির মধ্যে সবচেয়ে বড় আনুপাতিক পতন, যা প্রায় ৭২.৬ শতাংশ কমেছে।

ত্রৈমাসিক তথ্য অনুযায়ীও দাঙ্গার ঘটনা কমেছে, যেখানে মামলার সংখ্যা ২০২৫ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বরে ৯টি থেকে কমে চলতি বছরের একই সময়ে ৫টিতে এসেছে, যা ৪৪.৪ শতাংশ কমেছে।

নয় মাসের তুলনামূলক চিত্রে ডাকাতির সংখ্যাও অনেক কমেছে। এই ক্যাটাগরিতে মামলা ৫৩৮টি থেকে কমে ৩৮৭টিতে দাঁড়িয়েছে, যা ১৫১টি মামলা বা ২৮.১ শতাংশ। একই ক্যাটাগরিতে তৃতীয় প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) দেখা গেছে, যা ১৭১টি ডাকাতির মামলা থেকে কমে ১২৩টিতে নেমে এসেছে— এটিও প্রায় ২৮.১ শতাংশ কমেছে। 

পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ২০২৬ সালের প্রথম নয় মাসে খুনের মামলা ৮.৭ শতাংশ কমেছে। মামলার সংখ্যা ২০২৫ সালের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বরের ২ হাজার ৯১৩টি থেকে কমে চলতি বছরের একই সময়ে ২ হাজার ৬৫৯টিতে নেমে এসেছে, অর্থাৎ ২৫৪টি মামলা কমেছে। 

ত্রৈমাসিক তুলনামূলক চিত্রেও হ্রাস দেখা গেছে, যেখানে খুনের মামলা ২০২৫ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বরের ৯৮০টি থেকে কমে ২০২৬ সালের একই সময়ে ৮৮১টিতে পৌঁছেছে। ৯৯টি মামলা কমেছে যা প্রায় ১০.১ শতাংশ। উভয় সময়েই অপহরণের ঘটনা কমেছে। নয় মাসের মোট সংখ্যা ৮১২টি থেকে কমে ৭৬৯টিতে নেমে এসেছে, যা ৪৩টি মামলা বা ৫.৩ শতাংশ কমেছে। জুলাই-সেপ্টেম্বর সময়ে অপহরণের ঘটনা ২৯৫টি থেকে কমে ২৪২টিতে দাঁড়িয়েছে, যা ৫৩টি মামলা বা ১৮ শতাংশ। ২০২৫ সালের একই সময়ের তুলনায় ২০২৬ সালের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বরে শিশু নির্যাতনের মামলা ১২.৩ শতাংশ কমেছে। মামলার সংখ্যা ৩,৫৯১টি থেকে কমে ৩,১৫১টিতে নেমে এসেছে, যা ৪৪০টি মামলা কমেছে।

ত্রৈমাসিক চিত্রেও একই ধারা দেখা গেছে, যেখানে মামলা ২০২৫ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বরে ১ হাজার ৪৩২টি থেকে কমে ২০২৬ সালের একই সময়ে ১ হাজার ২৩৮টিতে নেমেছে, যা ১৯৪টি মামলা বা ১৩.৫ শতাংশ কমেছে। নারী নির্যাতনের মামলার সংখ্যা ২০২৫ সালের প্রথম নয় মাসে ৯ হাজার ২৬২টি থেকে কমে চলতি বছরের একই সময়ে ৮ হাজার ১৭৮টিতে পৌঁছেছে। এতে ১ হাজার ৮৪টি মামলা কমেছে।

জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর মেয়াদে ২০২৫ সালে দস্যুতা ১ হাজার ৪৮৩টি থেকে কমে ২০২৬ সালে ১ হাজার ৩৭৪টিতে দাঁড়িয়েছে। ত্রৈমাসিক পরিসংখ্যানে এটি ৫১১টি থেকে কমে ৪৬৭টিতে নেমে এসেছে, যা ৪৪টি মামলা বা প্রায় ৮.৬ শতাংশ কমেছে। তৃতীয় প্রান্তিকে চুরির ঘটনাতেও রেকর্ডসংখ্যক কমেছে। রেকর্ডকৃত ঘটনা ২০২৫ সালের জুলাই-সেপ্টেম্বরের ২ হাজার ৬৯৩টি থেকে কমে ২০২৬ সালের একই সময়ে ২ হাজার ৫৭৬টিতে নেমে এসেছে। ১১৭টি মামলা কমার এই হার প্রায় ৪.৩ শতাংশ। হ্রাস পাওয়ার পরও, সরবরাহকৃত ত্রৈমাসিক তুলনামূলক তথ্যে মামলার সংখ্যার দিক থেকে চুরিই ছিল সর্ববৃহৎ ক্যাটাগরি।

ত্রৈমাসিক তথ্যে অন্তর্ভুক্ত সাতটি ক্যাটাগরি জুড়ে রেকর্ড করা ঘটনা ৯.২ শতাংশ কমেছে, যেখানে নয় মাসের তুলনামূলক চিত্রে হ্রাস ছিল ৭.১ শতাংশ। সালাহউদ্দিন আহমদ ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত বাংলাদেশ সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে আগস্ট মাসে অন্য মন্ত্রণালয়ে স্থানান্তরিত হন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালীন দেশের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন, পুলিশের মনোবল পুনরুদ্ধার এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তিনি বেশ কিছু প্রশংসনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। 

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশের আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রধানগণের চমৎকার টিমওয়ার্কের প্রধান প্রধান সাফল্য, পদক্ষেপ এবং কৌশলসমূহ তুলে ধরা হলো : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে সালাহউদ্দিন আহমদের সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নেওয়া। তিনি স্পষ্ট ঘোষণা করেন যে, সরকার কোনোভাবেই বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড সমর্থন করে না এবং এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স । 

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং পরবর্তী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশের পুলিশ বাহিনী যে চরম সংকটের মুখোমুখি হয়েছিল, তা কাটিয়ে উঠতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন তিনি। আস্থার সংকট দূরীকরণ ও পুলিশের হারানো গৌরব ও মনোবল ফিরিয়ে এনে জনগণের কাছে পুলিশকে গ্রহণযোগ্য করার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রমকে বেগবান করতে পুলিশ বাহিনীকে একটি সম্পূর্ণ ‘জনবান্ধব’  বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে প্রশাসনিক সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

অপরাধের হার হ্রাস ও দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণে সরকারি ও পুলিশি ডেটা পর্যালোচনা করে সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে ও গণমাধ্যমে জানান যে, তার মেয়াদে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে। অপরাধ দমন বিশেষ করে  খুন, অপহরণ, ডাকাতি এবং নারীদের ওপর সহিংসতার হার আগের বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পায়। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণে রাজধানীতে প্রকাশ্য ছিনতাইয়ে একজন শিক্ষকের মৃত্যুর ঘটনায় পুলিশকে দ্রুত নির্দেশ দিয়ে প্রধান আসামিকে মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার নিশ্চিত করেন, যা আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর তৎপরতার প্রমাণ দেয় ।

 জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে কোনো পুলিশ সদস্যের দায়িত্বে অবহেলা বা অসহযোগিতার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকলে অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তাৎক্ষণিক তদন্ত ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা চালু করেন। ধর্মীয় সম্প্রীতি ও উৎসবের সফল নিরাপত্তা নিশ্চিত করণে ২০২৬ সালের শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। দেশে রেকর্ডসংখ্যক (৩৩,৮৫১টি) পূজামণ্ডপে কোনো ধরনের বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপিত হয়। 

আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর আগাম সতর্কতামূলক পদক্ষেপের কারণে দেশের বেশ কয়েকটি অঞ্চলের নাশকতার পরিকল্পনা ভণ্ডুল করা সম্ভব হয়। পার্বত্য অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ স্থীতিশীলতা রক্ষায় দেশের পার্বত্য অঞ্চল, বিশেষ করে সাজেক ও আশপাশের ক্ষুদ্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা দমন এবং সেখানকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সাফল্য অর্জন করে। এছাড়া বিশ্ব ইজতেমাসহ জাতীয় ও ধর্মীয় বড় সমাবেশগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করা হয়। মানব পাচার ও সাইবার অপরাধ দমনে সংগঠিত অপরাধ ও মানব পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা হয়েছে। 

অনলাইন ও সাইবার স্পেস ব্যবহার করে ভুয়া চাকরির ফাঁদ পেতে যারা মানব পাচার চক্র চালাচ্ছিল, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনার নির্দেশ প্রদানসহ ‘মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০২৬’ বাস্তবায়নে গতি ফিরিয়ে আনা হয়েছে। বাংলাদেশে শান্তি শৃঙ্খলা ব্যাহত, সম্প্রীতি নষ্ট করা, উন্নয়ন ও স্বাভাবিকতাকে বাধা দেওয়ার অপচেষ্টা নতুন কিছু নয়। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপে ডিসেম্বর ইস্যু অথবা যে কোনো ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করা অসম্ভব কিছু নয়। 

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বর্তমান কার্যক্রম সম্পর্কে সিনিয়র সচিব মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী বলেন, আমরা আমাদের সকল উইংস গুলোর টিমওয়ার্ককে প্রাধান্য দিচ্ছি। চুলচেরা বিশ্লেষণ করে সৃষ্ট সমস্যা চিহ্নিতকরণ ও এর প্রতিকারের পদক্ষেপ গ্রহণ করছি। আশাকরি আমাদের ধারবাহিক টিমওয়ার্কের ফলাফল খুব দ্রুতই দেশবাসীর কাছে দৃশ্যমান হবে। 

লেখক : লেখক ও রাজনীতিবিদ

কেকে/ এমএস


মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলা মত ও সম্পাদকীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close