রাজধানীর উত্তরখানে তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মরদেহ উদ্ধারের স্থান থেকে প্রায় ৫০ গজ দূরে একটি মোটরসাইকেল পাওয়া গেছে। বাহনটি তাহসিফের কি না, তা যাচাই করছেন তদন্তসংশ্লিষ্টরা। এ ঘটনায় নিখোঁজ হওয়ার আগে তার সঙ্গে থাকা আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দ্বীপকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে দ্বীপকে পিবিআইয়ের ঢাকা মেট্রো উত্তর কার্যালয়ে নেওয়া হয়। তাহসিফের সঙ্গে তার সর্বশেষ অবস্থান, কোথায় গিয়েছিলেন এবং কার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন—এসব বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তবে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করেনি পিবিআই।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ২৭ অক্টোবর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরের বাসা থেকে বের হন তাহসিফ। এর আগে দ্বীপ তার বাসায় গিয়েছিলেন। পরে দুজনকে আলাদা মোটরসাইকেলে বের হতে দেখা যায়। পরিবারের দাবি, দ্বীপের ডাকেই বাসা থেকে বের হয়েছিলেন তাহসিফ। এরপর তার আর খোঁজ পাওয়া যায়নি।
পরদিন ২৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উত্তরখানের রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। এ ঘটনায় নৌ পুলিশের পাশাপাশি পিবিআই ছায়াতদন্ত শুরু করেছে।
তাহসিফের মৃত্যুর কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্ত ও ফরেনসিক পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
নৌ পুলিশ মূল তদন্ত পরিচালনা করলেও পিবিআই ও পুলিশের অন্যান্য ইউনিট কারিগরি সহায়তা ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করছে। মাজারবস্তি এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া মোটরসাইকেলের মালিকানা নিশ্চিত হলে তাহসিফের নিখোঁজ হওয়া ও নদীর ঘাটে পৌঁছানোর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্লু মিলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কেকে/সাশ