শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, নিহতদের মধ্যে নলমুড়া গ্রামের পাঁচজন এবং গজমতি গ্রামের একজন রয়েছেন। তারা বিলে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাদের উদ্ধার করে পাবনা শহরের হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রথমে চারজনকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে আরও দুজনের মৃত্যু হয়।
নিহতরা হলেন—গজমতি গ্রামের রবিউলের ছেলে শাওন (২২), নলমুড়া গ্রামের ইসমাইলের ছেলে রব্বেল (২২), শাজাহানের ছেলে মিজান (১২), নাজিম উদ্দিনের ছেলে সাজিদ (১০), ইবাদুলের ছেলে ইমন (১২) এবং শাহাদুলের ছেলে আব্দুল্লাহ (১৫)।
একই গ্রামের পাঁচজনের মৃত্যুতে নলমুড়ায় শোকের মাতম চলছে। স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও গ্রামবাসীর মধ্যে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। মর্মান্তিক এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকাবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় ঝবঝবিয়া গ্রামের মুক্তার আলী জানান, বজ্রপাতের পর চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে তারা ঘটনাস্থলে যান। সেখানে দুজনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে অন্যদের সহযোগিতায় আহত ও অসুস্থ ব্যক্তিদের হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে নেওয়ার পর কয়েকজনের মৃত্যু হয়। গজমতি গ্রামের আহত রিপন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এ ছাড়া আরও একজন সেখানে চিকিৎসাধীন আছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকালে নিহত ও আহত ব্যক্তিরা সোনাপাতিল বিলে মাছ ধরতে যান। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে এ সময় বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে ছয়জনের মৃত্যু হয় এবং দুজন আহত হন।
এ বিষয়ে পাবনার পুলিশ সুপার আবু আশরাফ বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
কেকে/ এমএস