রাজধানী উত্তরায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘উত্তরা গণপ্রতিরোধ বাহিনী সেক্টর ১২’ রাতভর টহল দিচ্ছে। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও অন্যান্য অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই এ উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয়রা।
সম্প্রতি রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে চুরি, ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। উত্তরাবাসীও এর ব্যতিক্রম নয়। নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্বেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে এ প্রতিরোধ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংগঠনের সদস্যরা।
তাদের ভাষ্য মতে, অতীতেও বিভিন্ন সময়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে গণ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়েছিল। এবারও সেই চেতনাকে ধারণ করেই মাঠে নেমেছে স্থানীয় যুবসমাজ। সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই তারা এ উদ্যোগ নিয়েছেন, যাতে মানুষ নিরাপদে থাকতে পারে এবং এলাকায় শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় থাকে।
‘উত্তরা গণপ্রতিরোধ বাহিনী: সেক্টর ১২’ জানিয়েছে, সমাজের সব শ্রেণির মানুষের সহযোগিতায় অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব। স্থানীয়রা যদি আরো সচেতন হন এবং যেকোনো সন্দেহজনক ঘটনার বিষয়ে দ্রুত তথ্য দেন, তাহলে অপরাধীরা সুযোগ পাবে না।
এ কার্যক্রমে এলাকাবাসীর ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে সংগঠনটি। তারা আশা করছে, সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করলে উত্তরা আবারও শান্ত ও নিরাপদ আবাসিক এলাকা হয়ে উঠবে।
কেকে/এআর