বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬,
৬ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম: ● শীর্ষ সন্ত্রাসীদের দৌরাত্ম্যে দিশেহারা ব্যবসায়ীরা      ● সৌহার্দ্য ও দেশপ্রেম জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ক্রীড়া : প্রধানমন্ত্রী      ● সৌদি আরবের তিন রুটে বিমানের ফ্লাইট চালুর সিদ্ধান্ত      ● ঢাকা-সৌদি রুটের ১৩৪ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে যাত্রীরা      ● হাম উপসর্গে একজনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১০১০      ● ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ৩৬৪      ● টঙ্গীতে গ্যাস সিলিন্ডারের আগুনে একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ      
ধর্ম
রোজা যাবতীয় খারাপ কাজ থেকে বাঁচায়
ধর্ম ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৬ মার্চ, ২০২৬, ৩:৩৯ পিএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

রোজা রোজাদারের আচার-ব্যবহারকে সুন্দর করার কাজে বড় সক্রিয় ভূমিকা পালন করে থাকে। পূর্ণ একটি মাস তাকে পাপ থেকে দূরে রাখে, নিষিদ্ধ ও হারাম বস্তু থেকে নিরাপদে রাখে। বরং রোজা তাকে এক মহান ইবাদতে মশগুল রাখে, হীনতা ও নীচতা থেকে রক্ষা করে, প্রত্যেক নোংরামির বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে। সুতরাং সে যাবতীয় খারাব কাজ থেকে বিরত থাকে। ফলে প্রকৃত রোজাদার রোজার পরও একটি নিষ্পাপ ও পবিত্র মানুষের মতো যাবতীয় সচ্চরিত্রতার অলংকারে ভূষিত হয়ে সুখময় জীবনযাপন করতে পারে।

রোজা মন ও প্রবৃত্তিকে দমন ও নিয়ন্ত্রণ করার অনুশীলন দেয়। জিতেন্দ্রিয় ও সংযমী হতে উদ্বুদ্ধ করে। ফলে রোজাদার তার মন ও প্রবৃত্তিকে সেই কাজে ব্যবহার করতে পারে; যাতে ইহ-পারলৌকিক সব ধরনের মঙ্গল ও কল্যাণ নিহিত আছে। আর এমন আচরণ ও কর্ম থেকে তাকে দূরে রাখে; যাতে সে একটি ইন্দ্রিয়সেবী ও পাশবিক গুণসম্পন্ন মানুষ বলে পরিচিত হতে পারে; যেখানে সে কামনা-বাসনা ও লালসার প্রবণতা থেকে তাকে রুখতে সক্ষম হয় না। সুতরাং রোজা সেই মন্দপ্রবণ আত্মার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিজয়ী হতে মুসলিমকে সার্বিক সহযোগিতা করে, যে আত্মা সর্বদা হারাম কাজে লিপ্ত হতে চায়, অবৈধভাবে কাম-লালসা চরিতার্থ করতে চায়। রোজা রোজাদারের ইচ্ছাশক্তিকে সব ধরনের পাপ ও কুপ্রবৃত্তির স্পর্শ থেকে দূরে থাকার ‘প্রশিক্ষণ’ দেয়। আধুনিক যুগের মানুষ অধিকাংশে নিজ কামনা-বাসনার কাছে বড় দুর্বল, কুপ্রবৃত্তি ও মন্দ-প্রবণ খেয়ালখুশির বশীভূত। আর মনকে সবল ও সুদৃঢ় করতে রোজা ছাড়া আর অন্য কোনো উপায়-উপকরণ নেই। কারণ, রোজাদার অত্যন্ত ক্ষুৎপিপাসায় কাতর থাকা সত্ত্বেও পানাহার বর্জন করে থাকে। আর নিঃসন্দেহে এ কাজে আত্মবিশ্বাস ও আত্মনিয়ন্ত্রণ-ক্ষমতা সৃষ্টি হয় এবং সর্বকাজে মনোবল প্রবল ও সুদৃঢ় হয়।

রোজা রোজাদারকে কুঅভ্যাসের দাসত্ব থেকে মুক্তিদান করে। এমন বহু মানুষ আছে, যারা এমন বহু নোংরা অভ্যাসে পরিণত হয়ে পড়ে এবং তার ফাঁদ থেকে বের হওয়ার কোনো পথ খুঁজে পায় না। কিন্তু রোজা এলে তাদের দেখা যায়, তারা সেসব কুঅভ্যাসকে পরিপূর্ণরূপে বর্জন করে ফেলেছে। বলাবাহুল্য, এটাই হয় তাদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ; যার মাঝে তাদের সেসব মন্দ অভ্যাস থেকে নিজেদের সহজ উপায়ে স্বাধীন করে নিতে পারে, যেসব অভ্যাস তাদের মানসিক দুশ্চিন্তা ও ব্যাধির একমাত্র কারণ।
 
অতএব, সেসব রোজাদার যারা ধূমপানে অভ্যাসী; যাদের বিড়ি-সিগারেট ছাড়া চলে না অথবা কোনো মতেই ছাড়তে পারছে না তাদের উচিত এ মাসে সিয়াম সাধনার মাধ্যমে এ বদভ্যাস থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা। হয়তো রোজা রাখার কারণে এ অভ্যাস ত্যাগ করতে পারবে। আল্লাহ আমাদের রোজার সুফল অর্জন করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

কেকে/এসএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  রোজা    খারাপ   
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

ধর্ম- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close