শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং সুদের হার নিয়ে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের কঠোর অবস্থানের কারণে মূল্যবান এই ধাতুর ওপর চাপ অব্যাহত রয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) বাংলাদেশ সময় বেলা ২টা ৩৪ মিনিট পর্যন্ত স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্সে ০ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ৪ হাজার ১৭৪ দশমিক ৫০ ডলারে দাঁড়ায়। আর মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৯২ দশমিক ৮০ ডলারে নেমে আসে।
ট্রাডু ডটকমের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক নিকোস জাবুরাস বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘স্বর্ণের দাম আউন্স প্রতি ৪ হাজার ডলারের নিচে নেমে যাওয়ার স্পষ্ট ঝুঁকি রয়েছে। মূল্যবান ধাতুটি বর্তমানে একটি চ্যালেঞ্জিং সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ সুদের হার বজায় রাখা সুদবিহীন সম্পদের জন্য নেতিবাচক, তবে এটি ডলারের জন্য ইতিবাচক।’
গত বুধবার (১৭ জুন) প্রকাশিত ফেডের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ১৯ জন নীতিনির্ধারকের মধ্যে ৯ জন মনে করেন, চলতি বছর ফেডের নীতিগত সুদের হার আরও বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে।
এদিকে ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকস ডিসেম্বরের জন্য স্বর্ণের দামের পূর্বাভাস কমিয়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৯০০ ডলারে নামিয়েছে, যা আগে ৫ হাজার ৪০০ ডলার নির্ধারণ করা হয়েছিল। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, দীর্ঘমেয়াদে স্বর্ণের মূল্য নিয়ে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ইতিবাচক থাকলেও স্বল্পমেয়াদে তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ০ দশমিক ৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৫ দশমিক ৩০ ডলারে নেমেছে। এ ছাড়া প্লাটিনামের দাম ০ দশমিক ৩ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬৯০ দশমিক ২৩ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ০ দশমিক ২ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৭৫ দশমিক ২৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
এদিকে দেশের বাজারে এখন ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়ছে দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
কেকে/এলএ