প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফরকে ঘিরে কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে অনুকূল পরিবেশ তৈরির তাগিদ দিয়েছে বাংলাদেশ। শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে দেওয়া ও ওসমান হাদির হত্যায় অভিযুক্তদের প্রত্যর্পণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখাপত্র এ কে এম শহীদুল করিম প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে সরকারের এ অবস্থান তুলে ধরেন।
শহীদুল করিম বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করেছি। আমরা মনে করি যে, এ সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে আমরা ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেছি শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের প্রত্যর্পণে যেন আমাদের অনুরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শহীদ ওসমান হাদির অভিযুক্ত খুনিদের বাংলাদেশের হাতে তুলে দিতে হবে। আমরা তাদের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় আছি।’
মুখপাত্র আরও বলেন, ‘আমরা পুনরায় বলছি যে, আমরা সার্বভৌম সমতা, জাতীয় মর্যাদা, একে অপরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে আমাদের প্রতিবেশীসহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করে যাব।’
আগামী সেপ্টম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশ নিতে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীকে দ্বিপক্ষীয় সফরের জন্যও আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভারত।
সম্প্রতি শেখ হাসিনাকে দিল্লিতে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়াকে কেন্দ্র প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। পরে অবশ্য ঢাকা-দিল্লির কূটনৈতিক তৎফরতায় প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফর নিয়ে আলোচনা শুরু হয়।
কেকে/এআই