শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬,
৭ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম: ● ৪৩০ রানের পাহাড় গিলে ইংল্যান্ডকে কাঁদাল লঙ্কানরা      ● দাম্মাম ও রিয়াদগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট স্থগিত       ● পিএইচপির ত্রুটির পর হ্যাকিংয়ের চেষ্টা কয়েক লাখ ছাড়াল      ● প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আগে কূটনীতিতে নতুন মোড়      ● ডেঙ্গুতে আরও পাঁচজনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৫১২      ● সাজেকে অবরোধকারীদের হামলায় নিরাপত্তা বাহিনীর ৯ সদস্য আহত      ● সাজেকে ইউপিডিএফ ৩০-৪০ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে : আইএসপিআর      
স্বাস্থ্য
ব্যায়ামের পর হৃদস্পন্দনই জানাবে দেহ কতটা সুস্থ
স্বাস্থ্য ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৩:৪০ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

সাধারণত ব্যায়াম করার সময় হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়। তবে ব্যায়াম শেষ করার পর কত দ্রুত হৃদস্পন্দন কমে আসে, তা দেহে সুস্থতা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দিতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের মতে, হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক হতে বেশি সময় লাগলে তা হৃদযন্ত্রের দুর্বলতা বা ভবিষ্যতে বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকির ইঙ্গিত হতে পারে।

ব্যায়াম শেষ করার পর নির্দিষ্ট সময়ে হৃদস্পন্দন যতটা কমে, তাকে বলা হয় ‘হার্ট রেট রিকভারি’ (এইচআরআর)। সাধারণত ব্যায়াম থামানোর পর প্রথম এক মিনিটে হৃদস্পন্দন কতটা কমছে, তা দিয়ে এই হার পরিমাপ করা হয়।

১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের গবেষকরা প্রায় ২ হাজার ৪০০ প্রাপ্তবয়স্কের ওপর গবেষণা চালান। ছয় বছর পর্যবেক্ষণের পর দেখা যায়, যাদের হৃদস্পন্দন পুনরুদ্ধারের হার কম, তাদের মৃত্যুঝুঁকি প্রায় চার গুণ বেশি। পরবর্তী গবেষণাগুলোতেও এ ধরনের সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

যেভাবে পরীক্ষা করবেন প্রথমে ব্যায়ামের পর হৃদস্পন্দন মাপার জন্য স্মার্টওয়াচ বা ফিটনেস ট্র্যাকার ব্যবহার করতে পারেন। ব্যায়াম শেষ করার সঙ্গে সঙ্গে হৃদস্পন্দন মাপুন। এরপর এক মিনিট বিশ্রাম নিয়ে আবার মাপুন। প্রথমবারের সংখ্যা থেকে দ্বিতীয়বারের সংখ্যা বাদ দিলেই পাওয়া যাবে হৃদস্পন্দন পুনরুদ্ধারের হার।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রথম মিনিটে হৃদস্পন্দন অন্তত ১৮ বার কমা ভালো লক্ষণ হতে পারে। অন্যদিকে, ১২ বারের কম কমলে সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকতে পারে। তবে বয়স, শারীরিক সক্ষমতা ও পরীক্ষার পদ্ধতি অনুযায়ী ফল ভিন্ন হতে পারে। শুধু এই পরীক্ষার মাধ্যমে কোনো রোগ নির্ণয় করা সম্ভব নয়।

কেন গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষা? ব্যায়ামের সময় শরীরের সহানুভূতিশীল স্নায়ুতন্ত্র হৃদস্পন্দন বাড়ায়। ব্যায়াম শেষ হলে ভেগাস নার্ভের মাধ্যমে প্যারাসিমপ্যাথেটিক স্নায়ুতন্ত্র হৃদস্পন্দন কমাতে সাহায্য করে। শরীর যত দ্রুত এই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারে, সাধারণত হৃদস্পন্দন তত দ্রুত স্বাভাবিক হয়।

হৃদস্পন্দন পুনরুদ্ধারের হার উন্নত করতে নিয়মিত হাঁটা, সাইকেল চালানো, সাঁতার বা দৌড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

তবে ব্যায়ামের সময় বুকে ব্যথা, মাথা ঘোরা বা অস্বাভাবিক শ্বাসকষ্ট হলে সাথে সাথে থামতে হবে। আগে থেকে হৃদরোগ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এ পরীক্ষা করা উচিত নয়।

সূত্র : বিবিসি

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  ব্যায়ামের পর হৃদস্পন্দন   দেহ সুস্থ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

স্বাস্থ্য- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close