জনস্বাস্থ্য বিষয়ক বাংলাদেশের এপেক্স প্রতিষ্ঠান জাতীয় প্রতিষেধক ও সামাজিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের (নিপসম) উদ্যোগে ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সচেতনতামূলক র্যালি, লিফলেট বিতরণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৬ জুন) ঢাকা উত্তর সিটির মহাখালীতে নিপসম ক্যাম্পাসে এসব কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
নিপসমের দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিচালক অধ্যাপক ডা. রুবেনা হকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সকাল ১০টায় সচেতনতামূলক র্যালি করা হয়। র্যালিটি নিপসম ক্যাম্পাস থেকে শুরু হয়ে মহাখালী এলাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় প্রতিষ্ঠানে এসে শেষ হয়। র্যালিতে নিপসমের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন।
র্যালি শেষে ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক লিফলেট বিতরণ ও জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়। এ সময় বিশেষভাবে ছাদ বাগান, বারান্দার বাগান, ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র ও অন্যান্য স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণের মাধ্যমে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
পরে নিপসম ক্যাম্পাসে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় এবং সম্ভাব্য এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্ত ও অপসারণে উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ সময় প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা হয় এবং সকলকে নিজ নিজ কর্মস্থল ও বাসস্থানের আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য উদ্বুদ্ধ করা হয়।
‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়’ শীর্ষক বৈজ্ঞানিক সেমিনার নিপসমের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে ডেঙ্গুর বর্তমান পরিস্থিতি, রোগ বিস্তারের কারণ, প্রতিরোধ কৌশল, জনসম্পৃক্ততার গুরুত্ব ও সচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য।’
সেমিনারে ‘শনিবারের অঙ্গীকার, ডেঙ্গুমুক্ত পরিবার’ ও ‘জমে থাকা পানিতে এডিসের বাস, সচেতনতায় হোক মশার বিনাশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ডেঙ্গুমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে সকলের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও সচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
কেকে/এমএ