শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬,
১৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: বৈষম্যের শিকার সশস্ত্র বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তাকে পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত      আইপিওতে ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু করা হবে : মাসুদ খান      নিত্যপণ্যের বাজারে এখনো ফেরেনি স্বস্তি      রপ্তানি আয়ে বড় ধাক্কা      ডিএমপির ৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি      ভিসানীতিতে আসছে বড় পরিবর্তন, থাকছে ৩৪ ক্যাটাগরি      ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষস্থান হারাল আর্জেন্টিনা      
জাতীয়
বৈষম্যের শিকার সশস্ত্র বাহিনীর ১৫০ কর্মকর্তাকে পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত
খোলা কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৯ এএম আপডেট: ০৩.০৭.২০২৬ ১১:০৮ এএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

বিগত সরকারের আমলে বৈষম্য ও প্রতিহিংসার শিকারের ঘটনা ছিল অহরহ। বাদ যায়নি সশস্ত্র বাহিনীও। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর পরই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়া কর্মকর্তারা প্রাপ্য অধিকার ফিরে পাওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

অবশেষে বৈষম্যের শিকার ১৫০ কর্মকর্তাকে পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর ১১৫ জন, নৌবাহিনীর ২১ এবং বিমান বাহিনীর আছেন ১৪ জন্য কর্মকর্তা।

জারি করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে নানাভাবে অন্যায়ের শিকার হয়েছেন এই কর্মকর্তা। কাউকে অন্যায়ভাবে অবসরে পাঠানো হয়, কাউকে অপসারণ, অব্যাহতি কিংবা বরখাস্ত করা হয়। তাদের আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে পুনর্বাসনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এর ফলে, সশস্ত্রবাহিনীর এই কর্মকর্তাদের প্রাপ্য ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি, বকেয়া বেতন-ভাতা এবং বিধি অনুযায়ী সব ধরনের আর্থিক সুবিধা নিশ্চিত হলো।
 
সরকারের এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা। একইসঙ্গে, তাদের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতে প্রশাসন যেন আর কোনো রাজনৈতিক দলের স্বার্থে ব্যবহৃত না করে সশস্ত্র বাহিনীকে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা কর্নেল হাসিনুর রহমান বলেন, “সেনাবাহিনী দেশের কোনো দলের না। আমার মনে হয়, রাজনীতিবিদরা যদি এটা বোঝে, আলহামদুলিল্লাহ। সেনাবাহিনী তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছবে।”

সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আযমী বলেন, “৮ বছর আয়নাঘরে আটকে রেখে আল্লাহ আমাকে ফিরিয়েছে। আমার কষ্ট হয়েছে। এই কষ্ট তো হাজার কোটি টাকা ‍দিয়েও দূর করা যাবে না। তারপরও আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ বাঁচিয়ে রেখেছেন।”

বঞ্চিত এই সেনা কর্মকর্তাদের মতে, প্রশাসনকে নিরপেক্ষ রাখা যেমন সরকারের দ্বায়িত্ব, তেমনি বাহিনীর প্রতিটি সদস্যকেও থাকতে হবে সচেতন।

আব্দুল্লাহিল আমান আযমী বলেন, “রাষ্ট্রীয়ভাবে আহ্বান করা যেতে পারে, যারা বঞ্চিত এখনও আছে, তারা দরখাস্ত করলে প্রতিটি কেস খতিয়ে দেখা উচিত, সে সত্যিকারে বঞ্চিত হয়েছে ‍কি না। যদি হয়, তাকে তার প্রাপ্য ফিরিয়ে দেয়া ‍উচিত।’’

কর্নেল হাসিনুর রহমান বলেন, “আমরা চাই এ ধরনে অপকর্ম যাতে আগামীতে না হয়। রাষ্ট্রের ক্ষতি, ব্যক্তির ক্ষতি। আমরা নতুন অধ্যায়ে চলে এসেছি, আর যেন এই কালো অধ্যায় না থাকে। কেউ অপরাধ করলে অন্যদের দায়িত্ব হলো প্রতিরোধ করা, যাতে অপরাধ না করে। আমরা এই কালচারে না এলে সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারব না।’

বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নিয়ে সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও যুগোপযোগী করতে সংস্কারেরও দাবি জানান তারা।

কেকে/এলএ



আরও সংবাদ   বিষয়:  সশস্ত্র বাহিনী  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

জাতীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close