ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে উঠতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুধু জয় পেলেই চলবে না, জিততে হবে অন্তত ৪১ রানের ব্যবধানে। তবে সেই লক্ষ্য সামনে রেখে ব্যাট করতে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ। পারভেজ হোসেন ইমনের ৭০ রানের ইনিংসে ভর করে শেষ পর্যন্ত ১৬০ রান সংগ্রহ করেছে তাওহীদ হৃদয়ের দল। ফাইনালে জায়গা করে নিতে হলে আফগানিস্তানকে ১১৯ রানের মধ্যে আটকে রাখতে হবে বাংলাদেশকে।
চোটের কারণে নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাসের অনুপস্থিতিতে সিরিজে সুযোগ পাওয়া ইমনই ব্যাট হাতে সবচেয়ে উজ্জ্বল ছিলেন। তাকে সঙ্গ দিয়েছেন সাইফ হাসান। এ দুজন ছাড়া বাংলাদেশের অন্য ব্যাটাররা প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি।
বাংলাদেশের ইনিংসে সর্বোচ্চ ৭০ রান করেন ইমন। ৯৬ বলের ইনিংসে পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা হাঁকান তিনি। অন্যদিকে সাইফ হাসান ৮২ বলে দুটি চার ও একটি ছক্কায় করেন ৪১ রান। পঞ্চম উইকেটে এ দুজনের ৯৩ রানের জুটি বাংলাদেশকে বড় বিপর্যয় থেকে কিছুটা সামাল দেওয়ার সুযোগ করে দেয়। নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাট থেকে আসে ১৫ রান। বাকি ব্যাটারদের মধ্যে কেউ দুই অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি; চারজন ফিরেছেন শূন্য রানে।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ওভারে তানজিদ হাসান তামিম ও সৌম্য সরকারকে হারানোর পর সপ্তম ওভারে এক বলের ব্যবধানে সাজঘরে ফেরেন শান্ত ও তাওহীদ হৃদয়। ফলে মাত্র ২৮ রানেই চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে দল।
সাইফ ও ইমনের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর আভাস মিললেও সাইফের বিদায়ের পর আবারও দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজ পরের ওভারেই আউট হন। এরপর ইমনকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন আফগান লেগ স্পিনার রশিদ খান। তার বলে পরপর ফেরেন আলিস আল ইসলাম ও মুস্তাফিজুর রহমানও।
আফগানিস্তানের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন রশিদ খান। তিনি একাই শিকার করেন চার উইকেট। ইয়ামিন আহমদজাই ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই নেন দুটি করে উইকেট।
সব মিলিয়ে ১৬০ রানের পুঁজি নিয়ে এখন বাংলাদেশের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ। ফাইনালে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে বোলারদের দ্রুত আফগানিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ গুঁড়িয়ে দিতে হবে এবং প্রতিপক্ষকে ১১৯ রানের মধ্যে থামাতে হবে।
কেকে/এআই