কৃষি গুচ্ছভুক্ত ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে।
ফলাফলে মেধা তালিকায় মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, অনগ্রসর ও প্রতিবন্ধী কোটাসহ মোট ৩৭০১ জন শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন। পাশাপাশি দ্বিতীয় ধাপে ৭২৬৬ জন শিক্ষার্থীকে অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গাকৃবি) অনুষ্ঠিত কৃষি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যবৃন্দ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও ইউজিসি প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত ৮ম সভায় সম্মিলিত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এ ফলাফল অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে তাদের স্বাক্ষরিত ফলাফল কৃষিগুচ্ছের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেন এবারের কৃষিগুচ্ছের নেতৃত্বদানকারী প্রতিষ্ঠান গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. জিকেএম মোস্তাফিজুর রহমান।
এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে রাত ৯টায় ফলাফল ঘোষণা করেন তিনি। উল্লিখিত ওয়েবসাইট থেকে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার ফলাফল জানতে পারবেন। ফলাফল সংক্রান্ত সব নির্দেশনা ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে।
কৃষিগুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুর ২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত, সারাদেশে একযোগে।
এবারের ভর্তি পরীক্ষায় মোট ৩৭০১টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছিলেন ৮৮ হাজার ২২৮ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পরীক্ষায় উপস্থিত ছিলেন ৮০ হাজার ৩২৪ জন। পরীক্ষায় উপস্থিতির হার ছিল ৯১.০৪ শতাংশ, যা পূর্ববর্তী কৃষিগুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার উপস্থিতির সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে।
ফলাফল ঘোষণা শেষে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন,
“এ বছর ৯টি পাবলিক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত প্রয়াসে যে সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে, তা উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এই নেতৃত্বের মহান দায়িত্ব পেয়ে গর্বিত।”
তিনি আরও বলেন, এ সুষ্ঠু কার্যক্রম সম্পাদনের পেছনে সংশ্লিষ্ট সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সর্বোপরি পরীক্ষার্থীদের ধৈর্য ও সহযোগিতার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ।
এবারের কৃষিগুচ্ছে অন্তর্ভুক্ত ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় ও তাদের আসন সংখ্যা হলো— বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১০০৬টি, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৫১০টি, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৭০৫টি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ৪৫২টি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় ২৭৫টি, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৪৩১টি, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১৫০টি, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৯০টি এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ৮২টি।
কেকে/এলএ