মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      চীন পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      
শিক্ষা
চাকরিপ্রত্যাশীদের বিক্ষোভ, পরীক্ষা বাতিলের দাবি
খোলা কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩৩ এএম আপডেট: ১৩.০১.২০২৬ ৪:৫০ এএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে পরীক্ষাটি বাতিলের দাবিতে রাজপথে নেমেছেন নিয়োগপ্রত্যাশীরা। প্রশ্নফাঁস ও ডিজিটাল ডিভাইস ব্যবহার করে জালিয়াতির অভিযোগে তারা বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেন এবং পাঁচ দফা দাবি জানান। দাবি আদায় না হলে কর্মসূচি আরও জোরদার করার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।

রোববার (১১ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) প্রধান ফটকের সামনে এ কর্মসূচি শুরু হয়। দুপুর ১২টা পর্যন্ত অবস্থান নিয়ে তারা প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতির অভিযোগ তুলে পরীক্ষা বাতিল করার দাবি জানান।

আন্দোলনকারীদের পাঁচ দফা দাবি হলো– সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে দ্রুত পুনরায় পরীক্ষা নিতে হবে, সব চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় নিতে হবে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ডিভাইস চেকার ও নেটওয়ার্ক জ্যামার রাখতে হবে, স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করে তার অধীন সব পরীক্ষা নিতে হবে; একই দিনে একই সময়ে একাধিক পরীক্ষা নেওয়া যাবে না, যেসব প্রতিষ্ঠানের প্রশ্নফাঁসের রেকর্ড আছে, তাদের প্রশ্ন প্রণয়ন করতে দেওয়া যাবে না এবং প্রশ্নফাঁসের তথ্য প্রমাণিত হলে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং প্রশ্ন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে হবে।

গত ৯ জানুয়ারি দেশে ৬১ জেলায় (পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা বাদে) একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি প্রার্থী। দুই ধাপে মোট ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে গড়ে প্রতি পদে লড়াই করেন প্রায় ৭৫ জন প্রার্থী।

পরীক্ষার কয়েকদিন আগে থেকেই সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়িয়ে পড়ে। পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরীক্ষার দুই দিন আগে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নের কিছু অংশ হুবহু পরীক্ষায় এসেছে। প্রশ্ন ২৫ ডিসেম্বর জেলা পর্যায়ে পাঠানো হয় এবং প্রায় দুই সপ্তাহ পরে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় প্রশ্নফাঁস চক্রের হাতে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

পরীক্ষায় ডিভাইস ব্যবহার করে জালিয়াতির অভিযোগে হাতেনাতে ধরা পড়েন শতাধিক পরীক্ষার্থী। তাদের মধ্যে গাইবান্ধায় ৫৩ জন, নওগাঁয় ১৮, দিনাজপুরে ১৮, কুড়িগ্রামে ১৬ এবং রংপুরে দুজনসহ ২০৭ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবি– অনেকেই নজরদারি এড়িয়ে পরীক্ষা দিয়ে বেরিয়ে গেছেন এবং কোথাও কোথাও কক্ষ পরিদর্শকরাও চক্রকে সহায়তা করেছেন।

গতকাল বিক্ষোভের পর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, “চাকরিপ্রার্থীদের দাবি গ্রহণ করে অভিযোগ তদন্তের সিদ্ধান্ত হয়েছে। তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হলে পরীক্ষা বাতিল করা হবে, না হলে ফল প্রকাশ করা হবে।”

তিনি বলেন, “প্রশ্নফাঁসের অপচেষ্টা হয়েছে, এটি অস্বীকার করা যাবে না। তবে উদ্ধার হওয়া প্রশ্নের সঙ্গে আমাদের প্রশ্নের মিল পাওয়া যায়নি। তারপরও বিষয়টি তদন্ত করা হবে।”

কেকে/এলএ



আরও সংবাদ   বিষয়:  চাকরি   বিক্ষোভ   পরীক্ষা   বাতিলের দাবি  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

শিক্ষা- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close