চলমান ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার শেষ সপ্তাহে চলছে পণ্যেমূল্যে ছাড়ের ছড়াছড়ি চলছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকেই বেড়ে যায় ক্রেতা-দর্শনার্থীদের উপস্থিতি। যদিও বরাবরের মতো রয়েছে পণ্যের দাম ও মান নিয়ে অভিযোগ।
এদিকে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক থাকায় নির্ধারিত সময়ের দুই দিন পর মেলা শুরু হওয়ায় নূন্যতম পাঁচ দিন সময় বাড়ানোর দাবি করেছেন ব্যবসায়ীরা৷
দেখা যায়, শেষ সপ্তাহে মেলায উপচে পড়া ভিড়। স্টলে স্টলে স্ব স্ব পণ্যে ছাড় দেয়ার ঘোষণায় বেচাকেনা বেড়েছে।
ফার্নিচার স্টল এলাকায় জেএমজি কোম্পানির বিক্রয়কর্মী সাইফ খান জানান, তাদের পণ্যে ২০ শতাংশ ছাড়সহ ঢাকা জেলা ও আশপাশের জেলার গ্রাহকের বাসায় পৌঁছে দেয়ার অফার করা হয়েছে। ফলে বেশ সাড়া পাওয়া গেছে। তবে, মেলায় প্রদর্শনীকে প্রাধান্য দেয়া হলেও বিক্রি বেড়েছে আগের তুলনায় বেশি। মেলায় ইলেকট্রনিকস পণ্যসহ গৃহস্থালি পণ্যের বিক্রি আশানুরূপ হচ্ছে।
শীত কমে যাওয়ায় ক্রেতার ভাটা পড়েছে শীতের পোশাক আর ব্লেজারের দোকানে। তারা ছাড় দিয়েও ক্রেতা পাচ্ছেন না বলে হতাশা প্রকাশ করেছেন।
ব্লেজার বিক্রেতা ফরিদ হাসান বলেন,
‘মেলায় এসে পুরোপুরি হতাশ হলাম। ৫০ শতাংশ ছাড় দিয়েও ক্রেতা পাচ্ছি না। এটা খুবই দুঃখজনক। হয়তো শীত কমে যাওয়ায় প্রভাব পড়েছে।’
কাশিমপুর কারাগারের ডেপুটি জেলার ইয়াসমিন জাহান জুঁই বলেন, ‘কয়েদীরা তাদের তৈরি পণ্যের ৫০ ভাগ লভ্যাংশ পেয়ে থাকেন। আর বৃহত্তর প্রদর্শনী হিসেবে বাণিজ্য মেলার অপেক্ষায় থাকি আমরা। এখান থেকে এ পণ্যগুলোর প্রচার ও বিক্রি হয়ে থাকে।’
দর্শনার্থী নারায়ণগঞ্জে বাসিন্দা জজ মিয়া বলেন, ‘ছাড় চলছে প্রায় সব পণ্যে। তবে, দাম ও মান নিয়ে অভিযোগ থাকলেও একই প্রাঙ্গণে প্রয়োজনীয় প্রায় সব পণ্য পাওয়া যায়৷ তবে, মেলার পরিচালনায় বেশ কিছু ত্রুটি রয়েছে। স্থানীয় উদ্যোক্তাদের প্রাধান্য দেয়া উচিত রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি)। পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ রাখা জরুরি।’
কেকে/এমএ