ক্রমেই বাড়ছে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতিতে পরিবর্তন ও রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ আরোপসহ বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক নানা সমীকরণ, বিভিন্ন দেশের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ও কূটনৈতিক টানাপোড়ন। যার প্রভাব পড়ছে বিভিন্ন দেশের বাণিজ্য নীতিতে, বদলে যাচ্ছে পণ্যের উৎপাদন ও রফতানির চিত্র। অসম প্রতিযোগিতায় পড়ে বাজার হারাচ্ছে স্বল্পোন্নত দেশগুলো।
এসব পরিবর্তনের ফলে অন্তত দুই শতাংশ বাণিজ্য ক্ষতির মুখে পড়েছে বাংলাদেশসহ জাতিসংঘের তালিকাভুক্ত অন্তত ৪৪টি স্বল্পোন্নত দেশ। এর মধ্যে রয়েছে এশিয়ার৮টি, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৩টি, ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের স্বল্পোন্নত দেশ হাইতি ও আফ্রিকার ৩২টি দেশ।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,
পণ্য ভেদে উন্নতদেশগুলো স্বল্পোন্নত দেশের তুলনায় বেশি সুবিধা ভোগ করছে, যা বিশ্ব বাণিজ্যে বৈষম্য তৈরি করছে। ফলে, বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে পণ্য উৎপাদন ব্যবস্থা।
তবে, উন্নত দেশগুলো তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং তাদের শুল্ক সুবিধা আগের চেয়ে বেড়েছে। ফলে, অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে তুলনামূলক কম উন্নত দেশগুলোকে।
উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে কাঁচামাল রফতানি না করে, নিজেদের উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো, নির্দিষ্ট বাজারের ওপর নির্ভরতা কমানো এবং আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষণ করে পণ্যে বৈচিত্র্য নিয়ে আসাসহ বেশ কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছে জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা।
কেকে/এমএ