পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত দামে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনেছে সরকার। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বন্ধ হরমুজ প্রণালী। এতে বিশ্বব্যাপী তীব্র জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি থাকা সত্ত্বেও কাতারসহ অন্য দেশগুলো থেকে সময়মতো এলএনজি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এ অবস্থায় দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় দ্বিগুণেরও বেশি দামে দুই কার্গো এলএনজি কিনেছে সরকার।
আজ শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) পরিচালক (অর্থ) একেএম মিজানুর রহমান বিষয়টি দেশের একটি অনলাইন গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘সংকট মোকাবিলায় দুই কার্গো এলএনজি কেনা হয়েছে। আগামী ১৫ অথবা ১৬ মার্চ এক কার্গো এবং ১৮ মার্চ আরেকটি কার্গো আসার কথা।’
মিজানুর রহমান আরও বলেন, ‘এলএনজি কিনতে দাম বেশি পড়ছে। একটি দ্বিগুণের কাছাকাছি, আরেকটি কার্গো দ্বিগুণের বেশি দামে কিনতে হয়েছে।’
পেট্রোবাংলা সূত্র জানিয়েছে, স্পট মার্কেট থেকে কেনা দুই কার্গো এলএনজি গত মাসে ১ হাজার ১০০ কোটি টাকায় কেনা হয়েছে। সেটি কিনতে এখন দুই হাজার ৩০০ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। এতে সরকারকে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয় করতে হচ্ছে।
পেট্রোবাংলার সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান গানভোর গ্রুপ থেকে একটি এলএনজি কার্গোর প্রতি ঘনফুট কিনতে খরচ হবে ২৮ দশমিক ২৮ ডলার। আর ভিটলের কাছ থেকে আরেকটি এলএনজি কার্গোর প্রতি ঘনফুট গ্যাসের জন্য খরচ হবে ২৩ দশমিক ০৮ ডলার। গানভোরের কার্গোর দাম প্রায় ১ হাজার ২৭৯ কোটি টাকা হবে, যা চলতি বছরের জানুয়ারিতে একই ধরনের চালানের জন্য প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ছিল।
কেকে/এমএ