সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬,
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা      বন্যার কবলে সাত জেলা : নিহত ৫৪, ছয় লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত      আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      ১৫ জুলাই সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ      সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী      আগামী ৫ বছরে দেশে ২৫ কোটি গাছ লাগানো হবে: প্রধানমন্ত্রী      
অর্থনীতি
পাম্পগুলোতে কমছে না ভিড়, ট্যাংকি ফুল করতে চালকদের হুড়োহুড়ি
নিজাম উদ্দিন, মোহাম্মদপুর (ঢাকা)
প্রকাশ: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৫:৫৩ পিএম
ছবি: খোলা কাগজ

ছবি: খোলা কাগজ

রাজধানীর বিভিন্ন তেলের পাম্পে এখনো কমছে না ভিড়। তেল সংকটের আতঙ্কে অনেকেই ট্যাংকি ফুল করে তেল নিতে ছুটছেন পাম্পে। তেল সংকট নেই, আতঙ্কে বেশি বেশি তেল সংগ্রহ করা হচ্ছে।

পাম্প ম্যানেজাররা জানান, এর আগে অনেকই তেল নিতো ২০০- ৩০০ টাকার। এখন সবাই আসে ট্যাংকি ফুল করতে। যা আগে কখনো দেখে নাই পাম্প স্টাফরা। তারা মনে করছে, মানুষ আতংকগ্রস্ত হয়ে তেল বেশি বেশি সংগ্রহ করছে।

টঙ্গী গাজীপুরা থেকে ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে তেল নিতে আসা আলামিন জানান, তিনি চার দিন পরপর পাম্প থেকে ট্যাংকি ফুল করে তেল নেন। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৪টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে তেল সংগ্রহ করেন তিনি। এর আগে গত ২৪ মার্চ তিনি ট্যাংকি ফুল করেছিলেন। 

আলামিন বলেন, ‘ফুল ট্যাংকি নিলে ৪-৫ দিন চলে। প্রতিদিন প্রায় ৮০ কিলোমিটার চালাতে হয়। আমি একটি কোম্পানিতে চাকরি করি, পাশাপাশি রাইড শেয়ারিং করি। এত লম্বা সিরিয়াল থাকায় বারবার আসার চেয়ে একবারেই ফুল ট্যাংকি নেওয়াই ভালো।’

পাম্প সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘আগে কেউ ট্যাংকি ফুল করে তেল নিতেন না। কিন্তু এখন প্রায় সবাই ফুল ট্যাংকি নিতে চান, যার ফলে দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে।’

ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা প্রতিদিন চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ করছি। আমাদের পাম্পে কোনো সংকট নেই। তারপরও লাইন কমছে না—এর প্রধান কারণ মানুষের আতঙ্ক। মানুষ মনে করে কখন জানি তেল শেষ হয়ে যায়, আসলে ব্যাপারটা এরকম না। শুধু শুধু তেল আতঙ্কে পাম্পের ছুটি আসছে নাগরিকরা।’

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ পাম্পেই দীর্ঘ লাইন রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে আধা কিলোমিটার পর্যন্ত সারি দেখা গেছে। ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও তেল নিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

ভিড় দেখা গেছে ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন, সোনার বাংলা সার্ভিস স্টেশন, তালুকদার ফিলিং স্টেশন ও সাদেক খান পাম্পসহ নগরের বিভিন্ন পাম্পে।

সোনার বাংলা সার্ভিস স্টেশনের ম্যানেজার হিমালয় মন্ডল জানান, পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। 

তিনি বলেন, ‘এতোদিন আনলিমিটেড তেল দেওয়া হয়েছে। তবে আজ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণে তেল দেওয়া হচ্ছে—বাইকে ৫০০ টাকা, প্রাইভেট কারে ২০০০ টাকা ও মাইক্রোবাসে ৩০০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে।’

সংশ্লিষ্টদের মতে, প্রকৃত সংকটের চেয়ে তেল ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই মানুষ অতিরিক্ত তেল মজুদ করার চেষ্টা করছে, যার ফলে পাম্পগুলোতে এই অস্বাভাবিক ভিড় তৈরি হয়েছে।

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  পাম্প   ভিড়   ট্যাংকি ফুল   চালকদের হুড়োহুড়ি  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

অর্থনীতি- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close