মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      
স্বাস্থ্য
ঝুঁকিপূর্ণ ৩০ উপজেলাকে প্রাধান্য দিয়ে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান
খোলা কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৫৮ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

দেশের বিভিন্ন এলাকায় হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কার্যক্রম শুরু করছে সরকার। রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানে একযোগে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন হবে।

শনিবার (৪ এপ্রিল) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এই জরুরি টিকাদান কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে, যার লক্ষ্য দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশের সব শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনা।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে জাতীয় টিকাদান বিষয়ক কারিগরি পরামর্শক কমিটি (নিট্যাগ) এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের সুপারিশ করে। ৫ বছরের কম বয়সী সব শিশু—আগে টিকা নেওয়া থাকুক বা না থাকুক—এই কার্যক্রমের আওতায় আসবে।

প্রথম ধাপে দেশের ৩০টি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হটস্পট এলাকায় কার্যক্রম শুরু হবে। এগুলো দেশের ১৮ জেলার আওতাধীন ৩০টি উপজেলা। পরে পর্যায়ক্রমে তা সারাদেশে সম্প্রসারণ করা হবে। আগামী ২১ মে ২০২৬-এর মধ্যে, পবিত্র ঈদুল আজহার আগেই এ কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উদ্বোধনী দিনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন নবাবগঞ্জে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারে, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত পাবনা সদরে, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ঝালকাঠির নলছিটিতে এবং স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী গাজীপুরে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। বাকি স্পটগুলোতে সিভিল সার্জন স্থানীয় প্রতিনিধিদের নিয়ে কার্যক্রম শুরু করবেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব শিশুর জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদের এই সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর টিকা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া হাম আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে, যা রোগের জটিলতা কমাতে সহায়ক।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বয়ে টিকা সংগ্রহ, কোল্ড চেইন নিশ্চিতকরণ, স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রশিক্ষণসহ সব প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

সফল বাস্তবায়নের জন্য অভিভাবক, গণমাধ্যম ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঠিক তথ্য প্রচার এবং গুজব প্রতিরোধে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সরকার জানিয়েছে, ব্যবহৃত টিকা নিরাপদ ও কার্যকর। তাই আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে সচেতন থাকার পাশাপাশি নির্ধারিত কেন্দ্রে শিশুদের টিকা দেওয়ার জন্য এগিয়ে আসার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. জিয়া হায়দার, স্বাস্থ্য সচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী, অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাসসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

কেকে/ এমএস


আরও সংবাদ   বিষয়:  ঝুঁকিপূর্ণ   হামের টিকা  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

স্বাস্থ্য- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close