যশোরের কেশবপুর উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ ৮৬ শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য পড়ে আছে। অবসরজনিত কারণে ৩৪ জন প্রধান শিক্ষক ও ৫২ জন সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য থাকায় ওই সব বিদ্যালয়ে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনাসহ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, কেশবপুর উপজেলায় ১৫৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে।
এসব বিদ্যালয়ের মধ্যে বেলকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ডোঙ্গাঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বরণডালী আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোপসানা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালিয়ারই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পল্লীমঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রামকৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাসানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নেহালপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তেঘরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঝিকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, প্রতাপপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কোমরপুর আদর্শ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ধর্মপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও দেউলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে।
এছাড়াও হিজলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, লক্ষ্মীনাথকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মির্জাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিসমত সানতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালচিরণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সারুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাশিমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কাশিমপুর পূর্ব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাঁচবাকাবর্শী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বাকাবর্শি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পাঁজিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাড়িয়াঘোপ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গড়ভাঙ্গা মাছপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাতাইশকাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাজনগর বাঁকাবর্শি মোড়ল পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেতীখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কৃষ্ণনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড়েঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও খতিয়াখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে।
এ ছাড়া উপজেলাব্যাপী ৫২ জন সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য পড়ে আছে। এ কারণে ওই সব প্রতিষ্ঠানে প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনাসহ শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এলাকাবাসী ওই সব বিদ্যালয়ের শূন্যপদ পূরণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘‘শূন্য পদে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগের জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে তালিকা পাঠানো হয়েছে।’’
কেকে/এসএ