দক্ষিণ আফ্রিকার খ্যাতনামা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সল প্লাকি ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে বক্তব্য দিয়েছেন ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দক্ষিণ আফ্রিকার ‘ডায়মন্ড সিটি’ খ্যাত কিম্বারলিতে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশে এই সমাবর্তন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ড. থেবে ইকালাফেং, উপাচার্য প্রফেসর ড. ডেবরা মিয়ার এবং দেশি-বিদেশি অতিথিসহ শিক্ষক-মণ্ডলী উপস্থিত ছিলেন। প্রতি বছরের ন্যায় আয়োজিত এ সমাবর্তনে এ বছর বিভিন্ন অনুষদের প্রায় দেড় হাজার শিক্ষার্থীকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়।
প্রফেসর ড. ফরিদ আহমদ সোবহানী বলেন, “এই বিরল সম্মান ও আমন্ত্রণ তার জন্য অত্যন্ত গৌরবের।”
তিনি গ্র্যাজুয়েটদের উদ্দেশ্যে বলেন, “নিজেদের পরিবার, বিশ্ববিদ্যালয় ও সমাজের কল্যাণে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “শিক্ষার্থীদের নোবেল বিজয়ী বিশ্বনেতা ও দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক রাষ্ট্রপতি নেলসন ম্যান্ডেলার আদর্শে অনুপ্রাণিত হওয়া প্রয়োজন।’’
আহমদ সোবহানী ১৯৯৭ সালে ম্যান্ডেলার ঐতিহাসিক বাংলাদেশ সফরের কথাও স্মরণ করেন। পাশাপাশি সত্য অনুসন্ধান, অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
দক্ষিণ আফ্রিকার কোনো স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত বক্তা হিসেবে বাংলাদেশের কোনো উপাচার্যের অংশগ্রহণ ইস্টার্ন ইউনিভার্সিটির পাশাপাশি সমগ্র বাংলাদেশের জন্য এক অনন্য অর্জন ও গৌরবের বিষয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।
দেশের উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে এ ধরনের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি বিরল এবং এটি বিশ্ব পরিসরে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করেছে বলেও জানান আহমদ সোবহানী।
কেকে/এলএ