বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম প্রায় দ্বিগুণ হলেও দেশের বাজারে সরকার খুব সীমিত পরিসরে দাম সমন্বয় করেছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
রোববার (১৯ এপ্রিল) সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানিতে সরকারের ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। যুদ্ধ পরিস্থিতির আগে যে দামে তেল পাওয়া যেত, বর্তমানে তা প্রায় দ্বিগুণে পৌঁছেছে। এর ফলে সরকারের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ তৈরি হয়েছে।’
তিনি আরও জানান, জ্বালানি তেলের বাড়তি দামের কারণে ইতোমধ্যে সরকারের প্রায় ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে। এরপরও সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সরকার সেই অনুপাতে তেলের দাম বাড়ায়নি।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘সরকার ভর্তুকির মাধ্যমে বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। জনগণের স্বস্তি নিশ্চিত করা এবং অর্থনীতির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই সরকার বাড়তি ব্যয়ের বড় অংশ নিজেই বহন করছে।’
বিশ্লেষকদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের এই ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে দেশীয় বাজারেও দামের ওপর চাপ বাড়তে পারে। তবে আপাতত সরকার সীমিত মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার কৌশল নিয়েছে।
কেকে/ এমএস