আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের থ্যালাসেমিয়া সেন্টার ও শিশু রক্তরোগ ও ক্যান্সার বিভাগের উদ্যোগে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১০ মে) হাসপাতালের মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে থ্যালাসেমিয়া রোগ প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও সচেতনতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল ‘আর লুকানো নয় : অশনাক্তকে খুঁজে বের করা, অদৃশ্যকে সহায়তা করা। থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা বাংলাদেশে শুধু শ্যামলীর শিশু হাসপাতালেই হয়ে থাকে।
এছাড়াও এই চিকিৎসা অন্য কোনো হাসপাতালে নেই বলেও জানা গেছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
তিনি বলেন, “থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল। তাই সরকার ও সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিদের রোগীদের পাশে দাঁড়ানো উচিত।”
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত বলেন, “থ্যালাসেমিয়ার ভয়াবহতা বিবেচনায় এ রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি। বিয়ের আগে থ্যালাসেমিয়া বাহক শনাক্তে সবাইকে গুরুত্ব দিতে হবে।”
সভাপতির বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা বোর্ডের সভাপতি অধ্যাপক ডা. একেএম আজিজুল হক বলেন, ‘‘বিবাহপূর্ব থ্যালাসেমিয়া বাহক শনাক্ত করা গেলে এ রোগের বিস্তার অনেকাংশে রোধ করা সম্ভব।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুল হক, শিশু রক্তরোগ ও ক্যানসার বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. সেলিমুজ্জামান ও একাডেমিক কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ডা. মো. মনির হোসেন।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শিশু রক্তরোগ ও ক্যান্সার বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. বেলায়েত হোসেন। তিনি থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি ও বাহক শনাক্তকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অন্য বক্তারা বলেন, ‘থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তোলার পাশাপাশি সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।’
কেকে/এমএ