সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬,
২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: ৯ জেলায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কা      সিলেট-সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতির শঙ্কা      বন্যার কবলে সাত জেলা : নিহত ৫৪, ছয় লাখের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত      আদ-দ্বীন হাসপাতালের বিষয়ে পরিদর্শনের পর সিদ্ধান্ত : স্বাস্থ্যমন্ত্রী      ৪১৬ বছরপূর্তিতে বর্ণিল ‘ঢাকা উৎসব’, উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী      ১৫ জুলাই সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের নির্দেশ      সারা দেশে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী      
অর্থনীতি
সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে সবজির দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৪:২৭ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

ঢাকার বাজারে কিছুটা কমেছে সবজির দাম। তবে, সেই স্বস্তি এখনো পুরোপুরি পৌঁছায়নি সাধারণ ক্রেতার কাছে। গেল সপ্তাহে ১০০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া না গেলেও এখন বেশিরভাগ সবজি বিক্রি হচ্ছে ৭০-৯০ টাকার মধ্যে। তবুও অনেকের অভিযোগ, আয় অনুযায়ী বাজার এখনো নাগালের বাইরে রয়ে গেছে।

আজ শুক্রবার (২২ মে) ঢাকার কারওয়ান বাজারসহ আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

বিক্রেতারা বলছেন, ‘সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে। তবে পরিবহন ব্যয় ও পাইকারি বাজারে উচ্চ দামের কারণে এখনো খুচরা পর্যায়ে বড় ধরনের স্বস্তি আসেনি।’

কারওয়ান বাজারের সবজি বিক্রেতা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘গেল সপ্তাহে বৃষ্টির কারণে অনেক সবজির সরবরাহ কমে গিয়েছিল। এখন কিছুটা বাড়ছে, তাই দামও একটু কমেছে। তবে পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় আমরা খুব কম দামে বিক্রি করতে পারছি না।’
 
বাজার ঘুরে দেখা যায়, করলা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, গোল বেগুন ১০০ টাকা ও লম্বা বেগুন ৭০ টাকা। শসা ৬০ টাকা, টমেটো ৮০-৯০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, পেঁপে ৮০-১০০ টাকা ও বরবটি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ঝিঙে, চিচিঙ্গা ও ধন্দুলের কেজিও ৮০ টাকা।
 
লাউ প্রতি পিস বিক্রি হচ্ছে ৬০-৮০ টাকা। কাঁচা কলার হালি ৬০ টাকা এবং প্রতি পিস জালি ৬০-৮০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। ঢ্যাঁড়স প্রতি কেজি ৬০ টাকা এবং মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকায় বিক্রি হলেও কাঁচা মরিচের দাম এখনো চড়া। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।
 
কারওয়ান বাজারে সবজি কিনতে আসা বেসরকারি চাকরিজীবী শামীন হোসেন বলেন, ‘গেল সপ্তাহের তুলনায় দাম কিছুটা কমেছে ঠিকই, কিন্তু সাধারণ মানুষের জন্য এটা এখনো অনেক বেশি। এক কেজি সবজি কিনতেই ৮০-৯০ টাকা চলে যাচ্ছে। সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে।’
 
আরেক ক্রেতা শাহানা বেগম বলেন, ‘আগে ৫০০ টাকায় কয়েক দিনের বাজার করা যেত। এখন শুধু সবজি কিনতেই টাকা শেষ হয়ে যায়। মাছ-মাংস কেনা তো অনেকের জন্য বিলাসিতা হয়ে গেছে।’
 
ক্রেতা শারমিন সুমি বলেন, ‘বাজারে এসে এখন কোনটা কিনব আর কোনটা বাদ দেব, সেই চিন্তা করতে হয়। দুই-একটা জিনিসের দাম কমলেও বেশিরভাগ জিনিসই এখনও অনেক বেশি।’
 
সবজির পাশাপাশি মাংস ও মুরগির বাজারেও দামের খুব বেশি পরিবর্তন হয়নি। সপ্তাহের ব্যবধানে মুরগির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে গরুর মাংস প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়।
 
এছাড়া প্রতি কেজি কক মুরগি ৩২০ টাকা, সোনালি হাইব্রিড ২৯০ টাকা, লাল লেয়ার ৩০০ টাকা, সাদা লেয়ার ২৯০ টাকা ও ব্রয়লার মুরগি ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকায়।
 
মাংস কিনতে আসা ক্রেতা খন্দকার তারেক বলেন, ‘সবজির দাম বেশি, মাংসের দামও কম না। বাজারে এসে এখন হিসাব করেই কিনতে হয়। আগে যেখানে ২ কেজি মাংস নিতাম, এখন এক কেজিতেই সীমাবদ্ধ থাকতে হচ্ছে।’
 
অন্যদিকে বাজারে বেড়েছে মাছের দাম। বাজারে প্রতি কেজি চাষের পাঙাশ ১৮০-২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০-২৩০ টাকা, রুই ৩৫০-৪০০ টাকা, মৃগেল ২৫০-৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৬০০ টাকা, বাইন ৮০০-৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০-৪০০ ও চাষের শিং ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। 

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  ক্রেতার নাগাল   সবজির দাম  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

অর্থনীতি- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close