রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।
রোববার (১৪ জুন) বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
এর আগে গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মামলার রায় ঘোষণা করেন। ওইদিন রায়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
রায়ের পর্যবেক্ষণে সেদিন আদালত বলেন, শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ ও বিভিন্ন স্থানে জখমের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া স্বীকারোক্তি দেয়ার পর তা প্রত্যাহারের কোনো আবেদন না থাকায় বোঝা যায়, সোহেল রানা স্বেচ্ছায় দোষ স্বীকার করেছেন। আর স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করেছেন তার স্ত্রী স্বপ্না।
গত ১ জুন আলোচিত এ মামলায় সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। পরদিন ২ জুন এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এরপর ওইদিনই মামলার ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১৬ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।
এছাড়া ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থনে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে গত ৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হলে রায়ের জন্য দিন ধার্য করা হয়। সবমিলিয়ে মাত্র ৪ কার্যদিবসে মামলাটির বিচারকাজ সম্পন্ন হয়।
সবশেষ গত ৭ জুন আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। সেই সঙ্গে রায় ঘিরে ওইদিন আদালত প্রাঙ্গণে অতিরিক্ত পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদেরও উপস্থিত থাকতে দেখা যায়।
কেকে/এলএ