শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬,
২৪ আশ্বিন ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম: ● খতিবের ‘অপসারণ দাবি’ ঘিরে উত্তপ্ত বায়তুল মোকাররম      ● নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন নাভি পিলাই      ● সন্দেহের ভিত্তিতে বাংলাদেশি আখ্যা দিয়ে বহিষ্কার নয় : কলকাতা হাইকোর্ট      ● নিরপেক্ষ ভেন্যুতে প্রথম টেস্ট, আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ      ● করপোরেটের কবজায় নিত্যপণ্যের বাজার      ● ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক আইসিডিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর      ● আবরার হত্যা মামলার রায় দ্রুত কার্যকরে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর      
আইন-আদালত
পল্লবী থানার মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক সাহেদ গ্রেপ্তার
খোলা কাগজ ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ১:২৯ পিএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

ঢাকার ইসিবি চত্বর এলাকা থেকে রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মোহাম্মদ সাহেদকে গ্রেপ্তার করেছে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ।

সোমবার (২০ জুলাই) পল্লবী থানায় দায়ের করা একটি ওয়ারেন্টভুক্ত মামলার ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ সূত্র জানায়, ইসিবি চত্বর থেকে সাহেদকে আটক করে ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশ। পরে তাকে পল্লবী থানায় দায়ের করা ওয়ারেন্টভুক্ত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

উল্লেখ্য, করোনা মহামারির সময় ২০২০ সালে রিজেন্ট হাসপাতালের মাধ্যমে ভুয়া করোনা পরীক্ষার সনদ দেওয়ার অভিযোগে আলোচনায় আসেন রিজেন্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম। ২০২০ সালের ৭ জুলাই র‌্যাব উত্তরায় রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভুয়া করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট জব্দ করে। এ ঘটনায় সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা হয়। এরপর ১৫ জুলাই সাতক্ষীরা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

গ্রেপ্তারের পর তাকে নিয়ে চালানো অভিযানে অস্ত্র উদ্ধারের দাবি করে র‌্যাব। এ ঘটনায় অস্ত্র আইনেও পৃথক মামলা হয়। ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ওই মামলায় আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। পরে হাইকোর্ট আপিলে তাকে খালাস দিলেও আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত সেই রায় স্থগিত করেন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অস্ত্র মামলায় আপিল বিভাগ থেকে জামিন পাওয়ার পর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।

সাহেদের বিরুদ্ধে বর্তমানে ৩৫টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এর মধ্যে প্রতারণা, জালিয়াতি, অস্ত্র এবং মানি লন্ডারিংয়ের মামলাও রয়েছে। সিআইডির তদন্ত অনুযায়ী, বিভিন্ন ধরনের প্রতারণার মাধ্যমে তিনি ১১ কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ করেন। এর মধ্যে করোনা পরীক্ষা না করেই ভুয়া সনদ দিয়ে ৩ কোটি ১১ লাখ ৯০ হাজার ২২৭ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সব মামলায় তিনি জামিনে ছিলেন তিনি।

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  পল্লবী থানা   সাহেদ গ্রেপ্তার  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

আইন-আদালত- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close