কতিপয় সাংবাদিক তৎকালীন সরকারের সময় বিভিন্ন অপকর্মকে সহায়তা করেছেন। ইতোমধ্যে সেই সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রাঙ্গণে এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।
এর পূর্বে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় শতাধিক ব্যক্তিকে গুম করে খুনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন মেজর (অব.) সাব্বির রহমান ওসমানী।
জবানবন্দিতে সাব্বির রহমান ওসমানী র্যাবে থাকা অবস্থায় ২০১০-২০১২ সাল পর্যন্ত বরগুনার পাথরঘাটায় এবং সুন্দরবনে জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে বিচারবহির্ভূত হত্যার বর্ণনা তুলে ধরেন।
আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের কাছে কতিপয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে একটা অভিযোগ আছে। কতিপয় সাংবাদিক তৎকালীন সরকারের সময় বিভিন্ন অপকর্মকে সহায়তা করেছেন। র্যাবের তৎকালীন মিডিয়া উইংয়ের প্রধান কমান্ডার সোহায়েল পছন্দের কিছু সাংবাদিককে বা সংবাদমাধ্যমকে আমন্ত্রণ করতেন। তাদের নিয়ে ওই অপারেশন স্থলে পর্যন্ত চলে যেতেন। ঢাকা থেকে সেই পছন্দের সাংবাদিক বা সংবাদমাধ্যমকে নিয়ে অপারেশন স্থলে যেতেন। সেই পাথরঘাটার চরদুয়ানী পর্যন্ত নিতেন। তাদের লাইফ জ্যাকেট দিতেন। তাদের যেভাবে ব্রিফ করা হতো, সেইভাবে তারা পরবর্তী প্রচার করতেন।’
‘তৎকালীন কিছু বিতর্কিত মিডিয়া অথবা কিছু বিতর্কিত সাংবাদিক, যারা এই কর্মকাণ্ডের সহযোগিতা করেছেন, এবেটমেন্ট করেছেন, তারাও কিন্তু সমভাবে অপরাধী এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তাদেরও বিচার হওয়া উচিত। আমি মনে করি, এটাও কিন্তু মানবতাবিরোধী অপরাধ। তারাও একইভাবে সংঘটন করেছেন। তো সেই কারণে আমাদের আজকের এই সাক্ষীর মুখ থেকে কতিপয় সাংবাদিকদের একটা ধারণা পাওয়া গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে একটা ইনভেস্টিগেশন চলছে এবং পরবর্তী আজকের এই সাক্ষীর সাক্ষ্য হয়তো এটা সহায়ক হিসেবে কাজ করতে পারে।’
কেকে/এমএ